July 13, 2024, 1:27 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকা হতে জাল সার্টিফিকেট ও জাল সার্টিফিকেট তৈরীর সরঞ্জামাদিসহ ০২ জন’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ র‌্যাব-১০ এর অভিযানে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকা হতে ইয়াবাসহ ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টিপাত পাহাড় ধ্বসে নারী-শিশু নিহত পীরগঞ্জে মসজিদের দোহাই সরকারি খাস জমির গাছ কর্তন পার্বতীপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেন এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন দারুসসালাম লাফনাউট মাদ্রাসার দস্তারবন্দী নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু পীরগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর শিশু’র লাশ উদ্ধার মাদক মামলায় ১৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত দীর্ঘদিন পলাতক আসামী আলাউদ্দিন’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ যশোরের মুজিব সড়ক থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহ ঝিকরগাছার আখির মোবাইলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ডিলিট না করায় কক্সবাজারে বন্ধুকে হত্যা

খালেদা বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে: হাছান

খালেদা বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে: হাছান
ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক


আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে সড়ক পথে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাচ্ছেন। তিনি এতোদিন অসুস্থতার নাম করে লন্ডনে পরিবারের সাথে সময় কাটিয়েছেন। কোটি টাকার শপিং করেছেন। দেশে ফিরে এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের পর এখন বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে সড়ক পথে কক্সবাজার যাচ্ছেন। একজন অসুস্থ মানুষ কখনো ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সড়ক পথে যাওয়ার সামর্থ রাখেন না। এর থেকে প্রতীয়মান হয় তিনি অসুস্থ নন। খালেদা জিয়া সড়ক পথে কক্সবাজার যাওয়ার নাম করে যদি কোন ধরনের উস্কানি প্রদান করেন। কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন তাহলে তার দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়া হবে। গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে খালেদা জিয়ার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত এক মানবন্ধন কর্মসূচীতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি বখতেয়ার সাঈদ ইরানের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদব আবু তৈয়বের সঞ্চালনায় ওই মানবন্ধনে ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বড় বড় মন্ত্রী, রাষ্ট্রপ্রধানের স্ত্রীরাও রোহিঙ্গাদের দেখতে বাংলাদেশে এসেছেন। খালেদা জিয়া চিকিৎসার নামে এতোদিন যে বৃটেনে অবস্থান করছিলেন সেই বৃটেনের মন্ত্রীও রোহিঙ্গাদের দুর্দশা দেখতে বাংলাদেশে এসেছিলেন। কিন্তু খালেদা জিয়া আসার সময় পাননি। তিনি চিকিৎসার নামে নাতি নাতনিদের সাথে আনন্দময় অবকাশ যাপন করছিলেন। এখন দেশে ফিরে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পর বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করার উস্কানি দিতে তিনি সড়ক পথে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাচ্ছেন। রোহিঙ্গাদের প্রতি লোক দেখানো মায়া কান্না দেখাতে খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাচ্ছেন উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের যেভাবে মায়ানমারে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এদেশে পেট্রোল বোমার সন্ত্রাস এবং আন্দোলনের নামে মানুষকে পুড়িয়ে মারার সাথে এর সাদৃশ্য রয়েছে। পেট্রোল বোমার সন্ত্রাসের সময় দেশের জনগণের জন্য খালেদা জিয়ার কান্না আসেনি। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর সময়ও খালেদা জিয়ার চোখে পানি দেখা যায়নি। অথচ তিনি যখন ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি হারিয়েছেন তখন তিনি কান্না করেছেন। আদালতে গিয়ে তিনি কেঁদেছেন। আসলে তিনি মানবিকতার জন্য কান্না করেন না। তিনি নিজের স্বার্থের জন্য, সম্পত্তির জন্য কান্না করেন। ওই মানবন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুছ গণি চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম, খোরশেদ আলম, আকতার হোসেন খান, দেলোয়ার হোসেন মিন্টু, অ্যাডভোকেট নিখিল নাথ, আবদুর রউফ, এম কায়চার উদ্দিন, ফারুক তালুকদার, ওমর ফারুক, শওকত হোসেন, আবদুল হালিম, মাহমুদুল হক, তৌহিদ চৌধূরী, এমদাদ হোসেন, মুজিবুর রহমান স্বপন, নুরুল আলম, শীমুল গুপ্ত ও কাজী নিজাম উদ্দিন প্রমুখ।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর