March 23, 2026, 3:23 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

লালমোহনে তালা ঝুলছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে! সেবা বঞ্চিত সাধারণ রোগীরা

কামরুল হাং লালমোহন প্রতিনিধিঃ

ভোলার লালমোহনে জনবল সংকটে উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটিতে দীর্ঘদিন যাবৎ তালা ঝুলছে। কোনো উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার না থাকায় ওই ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জানা যায়, এ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটিতে উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন ডাঃ মো. ফখরুল ইসলাম। তবে হঠাৎ করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কোনো কথা না বলেই বিনা ছুটিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি বন্ধ করে চলে যান। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে তার অনুপস্থিতির কারণে এখানে সেবা নিতে এসে রোগীরা ফিরে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ওই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা নিতে আসা রোগী আফরুজা, হাসিনা ও আব্দুল বারেক জানান, আমরা টাকা দিয়ে কোনো ঔষুধ কিনতে পারি না। তাই ফ্রী সেবা নিতে এ হাসপাতালে কয়েকদিন যাবৎ আসছি, তবে এখানে কোন ডাক্তার না থাকায় আমাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। সালামত আলী, রফিক, ছালেখা খাতুন নামের আরো কয়েকজন রোগী জানান, সরকার গরীব মানুষের জন্য এই হাসপাতাল দিয়েছেন, তবে এখানে কোনো ডাক্তার না থাকায় আমাদের ফিরে যেতে হয় এবং দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমাদের দাবী এখানে যেনো দ্রুত একজন উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার (ডাঃ)নিয়োগ দেওয়া হয়। এবিষয়ে জানতে চাইলে , উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ আব্দুর রশিদ বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটিতে যে উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার ছিলো, সে কাউকে না জানিয়ে চলে যায়। সেখানে সপ্তাহে একজন স্বাস্থ্য সহকারী ও ফ্যামেলীপ্লানিং এর কর্মী বসার কথা রয়েছে, খবর পাওয়া যাচ্ছে সেখানে কেউ বসছে না। তবে আমি এখানে জনবল নিয়োগের জন্য কতৃপক্ষের কাছে (দপ্তরে) আবেদন করেছি। আশা করি খুব শীঘ্রই এ সমস্যার সমাধান হয়ে হাসপাতালটি চালু হবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৩১মে২০১৮/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর