March 17, 2026, 2:49 pm

সংবাদ শিরোনাম
শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প পীরগাছার শল্লার বিল: ঘর উঠেছে, আস্থা ভেঙেছে

ছাতকে লাফার্জের বিনা টেন্ডারেই দেয়া হলো ৫০কোটি টাকার এগ্রো প্রজেক্টের কাজ

চান মিয়া, ছাতক (সুনামগঞ্জ) থেকেঃ
ছাতকে লাফার্জ-হোলসিম সিমেন্ট কারখানায় বিনা টেন্ডারে ৫০কোটি টাকার একটি বৃহৎ ক্রাসার মিল স্থাপনের কাজ দেয়া হয়েছে। তবে নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রের দাবি হচ্ছে, বিনা টেন্ডারে ৫০কোটি টাকার এ প্রজেক্ট জামিল ইকবাল নামের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজটি দেয়া হয়েছে। এখানে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা স্থাপনের পর থেকে কারখানায় খাবার সরবরাহ থেকে শুরু করে প্রতিটি কাজই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা হচ্ছে। কিন্তু কারখানার প্রতিষ্টা থেকেই স্বচ্ছাতার বিষয়টি বিবেচনা করেই বিদেশী বিনিয়োগকারী এ প্রতিষ্ঠানের প্রত্যকটি কাজই টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করা হচ্ছে। তবে ক্রাসার মিল স্থাপনে স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন একাধিক প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ি। বিনা টেন্ডারে প্রজেক্টের কাজ দেয়ায় লাফার্জ সংশ্লিষ্ট ছাতকের ব্যবসায়ীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মর্মে রোববার ২০মে’ লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডের সিইও বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন একজন ঠিকাদার এমডি কামাল চৌধুরী। এতে বলা হয়, টেন্ডার ছাড়া অনেকটা গোপনীয়তা অবলম্বন করে এগ্রিগেট প্রজেক্টের কাজ দেয়া হয়েছে। এশিয়ার বৃহৎ সিমেন্ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ছাতকে হওয়ায় ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অগ্রাধিকার পাওয়ার দাবী রাখে। কারখানার স্বার্থে স্থানীয়রা জমির মাটি দিয়ে কারখানাকে সচল রেখেছে এখানের মানুষ। কারখানা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ প্রথম কোন কাজ বিনা টেন্ডারে গোপনভাবে দেয়া হয়েছে। প্রকল্পের কাজটি টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেয়ার জন্য তিনি কারখানার উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অভিযোগকারী কামাল চৌধুরী জানান, কারখানার স্বচ্ছতার স্বার্থে প্রকল্পের কাজটি টেন্ডারের মাধ্যমে দেয়া উচিৎ। টেন্ডার ছাড়া গোপনভাবে কাজ দেয়া কাখানার স্বচ্ছতার পরিপন্থি। বিষয়টি তিনি কারখানার সিইওকে ব্যক্তিগতভাবে অবগত করেও কোন ফল হয়নি। এ ব্যাপারে তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানান আবেদনকারি।

 

 

 

 

 

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৮মে২০১৮/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর