মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, চট্টগ্রামঃঃ
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বানিগ্রামের প্রসিদ্ধ পীরে কামেল হযরত..দুলা গাজী প্রকাশ দরতুল্লাহ শাহ (রহ.) এর মাজারের ওয়াকাফ ষ্টেটের এর সম্পত্তির বায়না করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক মোতোয়ালি মরহুম আবদুস সাত্তারের পুত্র আবদুল হালিমের বিরুদ্ধে।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় গত ১৬ সালে ওয়াকফ ষ্টেটের…৪৪ শতক সম্পত্তি একই এলাকার নুরুল ইসলাম গং এর নিকট বায়না মুলে বিক্রি করে দেয় সাবেক মোতোয়ালি মরহুম আবদুস সাত্তার।
এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায় উক্ত জায়গায় নুরুল ইসলাম গং এর দখলের সাইনবোর্ড লাগানো। এ বিষয়ে মুঠোফোনে কথা হয়। উনি জানান বিগত ১৬সালে আমি মাজারের সাবেক খাদেম আবদুস সাত্তারের মৃত্যুর পূর্বে বায়না করি যার মূল্য ২২ লক্ষ টাকা তা থেকে আমি ১৬ লক্ষ টাকা পরিশোধ করি এবং উনি আমাকে জায়গা দখলে দেন। জায়গা রেজিস্ট্রার করার পূর্বে উনি মারা যান। এখন জায়গা খানা আমার ভোগ দখলে রয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ বাংলাদেশ ওয়াকফ ষ্টেটের কোন অনুমতি ছাড়া মাজারের জায়গা বিক্রি করেও মাজারের কোনো উন্নয়নের কাজ হয়নি। সাবেক মোতোয়ালি মারা যাওয়ার পর হাফেজ নুরুল করিম মাজারের ফাতেহা বছরে ফাতেহা শরীফ করে আসতেছে।
এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা দরতুল্লাহ শাহ ভক্ত ও ধর্ম প্রান মুসলিম গন জানান বিগত বেশ কিছু দিন থেকে হযরত দুলা .গাজী প্রকাশ দরতুল্লাহ শাহ (রহ.)’ মাজারের বর্তমান অবস্থা নাজুক বিল্ডিংয়ের নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখেছে খাদেমের পুত্র আবদুল হালিম। ফলে মাজারটি কার্যক্রম তোপের মুখে পড়ে।এবং এলাকাবাসী আরো জানান নুরুজ্জমা দুলা গাজী প্রকাশ দরতুল্লাহ শাহ র ওয়ারিশ না।ওনার ওয়ারিশ কালা মিয়া ও আছিয়া খাতুন।কাগজ পত্র ও তা প্রতিয়মান হয়।
এ বিষয়ে কথা বলা হয় সাবেক খাদেম আবদুস সাত্তার এর পুত্র আবদুল হালিমের সাথে, উনি জানান এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট আমার শ্রদ্ধেয় পিতা মরহুম আবদুস সাত্তার কোনো জায়গা বিক্রি করেনি, মাজার নিয়ে একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মাজারের জায়গায় নুরুল ইসলাম গং এর সাইনবোর্ড কেন জানতে চাইলে উনি কোনো জবাব দেন নি।