April 10, 2026, 7:10 am

সংবাদ শিরোনাম
সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ

করোনায় গণপরিবহন বন্ধে নাটোরে হাঁসের খামারিরা পড়েছেন বিপাকে অর্ধেক দামে ডিম বিক্রি

রুহুল আমীন খন্দকার, ব্যুরো প্রধান :

mostbet

মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সিংড়ার চলনবিল এলাকায় হাঁসের ডিমের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। সোমবার (১১ মে) ২০২০ ইং সকালে ৫০ টাকা হালির ডিম ২৪ টাকা হালিতে বিক্রি হয়েছে। এতে ডিম উৎপাদন করে লোকসান হওয়ায় চলনবিলের প্রায় শতাধিক খামার মালিক পড়েছেন বিপাকে। তবে এহেন পরিস্থিতিতে কম দামে ডিম কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা।এ ব্যপারে দুই’জন হাঁসের খামারির সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তারা এই প্রতিবেদককে জানায়, নাটোরের চলনবিল এলাকায় উন্মুক্ত জলাশয়ে হাঁসের দেড় শতাধিক খামার রয়েছে। এসব খামার থেকে প্রতিদিন প্রায় পঞ্চাশ হাজারের অধিক হাঁসের ডিম উৎপাদিত হয়। আর এই ডিমের চাহিদা থাকায় সচারাচর এসব ডিম ৫০ টাকা হালিতে বিক্রি হয়েছে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়ায় ডিমের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে আমাদের মতো খামারিদের প্রতিনিয়ত লোকসান গুনতে হচ্ছে।এ ব্যাপারে সিংড়ার চলন বিল এলাকার হাঁস খামারি সাদিকুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, চলনবিল গেটসংলগ্ন ডিমের আড়তে তারা সপ্তাহে দুই’দিন ডিম বিক্রি করেন। আর প্রতি হাটেই এই আড়তে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা হালি ডিম বিক্রি হতো। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে এখন আড়ত একেবারেই ক্রেতাশূন্য হয়ে গিয়েছে।তাই ডিম নষ্ট হবার আশংকায় বাধ্য হয়েই অর্ধেক দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অথচ যেখানে অধিক মূল্যে হাঁসের খাদ্য কিনতে হচ্ছে আমাদের। ডিম বিক্রি করে খরচের টাকা না ওঠায় আমরা খামারিরা চরম বিপাকে পড়ে গিয়েছি। তাই এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন হাঁস খামারীরা।অপরদিকে এই মুহুর্তে ক্রেতারা ডিমের দাম অর্ধেকে নেমে আসায় অর্ধেক দামে ডিম কিনতে পেরে খুব খুশি তারা। তবে কিছু সুবিধাভোগী এবং মুনাফা লোভি ডিম ব্যাবসায়ীরা এই সুযোগে নিজেরা না গিয়ে অন্য মাধ্যমে ডিম ক্রয় করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন কিছু কিছু সচেতন খামারিরা।তবে, চলনবিল এলাকার এক ডিমের আড়তের মালিক বলেন, করোনা সংক্রমণের কারণে গণপরিবহনের স্বল্পতায় পাইকাররা আসছেন না। এছাড়াও অনেক দোকান বন্ধ রয়েছে, তাই ডিমের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। বর্তমানে কর্মচারীসহ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখায় কঠিন হয়ে পড়েছে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৩ মে ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর