April 4, 2026, 10:12 pm

সংবাদ শিরোনাম
হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বিকল্প নেই পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে শতাধিক গাছ নষ্টের অভিযোগ

তানোরে নির্মাণকৃত সেতুর সংযোগ সড়ক বিছিন্ন, সেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে করা হচ্ছে রাস্তা ভরাট

রুহুল আমীন খন্দকার, ব্যুরো প্রধান :

mostbet

রাজশাহীর তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের আওতাধীন কৃষ্ণপুরে গ্রামীন সেতু নির্মাণের পর প্রায় ৩ মাস ধরে সংযোগ সড়কটি বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে ওই এলাকার প্রায় ১২ হাজারের মতো মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরায় বিঘ্নতা ঘটছে। এ অবস্থায় সেতু নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না করেই ঠিকাদার লাপাত্তা রয়েছে। ফলে নিরুপায় এলাকাবাসী বৃহস্পতিবার ৩০শে এপ্রিল সকাল থেকে স্থানীয় কৃষকলীগ ও সৈনিকলীগ কর্মীদের সেচ্ছাশ্রমে সেতুর সংযোগ সড়কের গর্ত ভরাট করছেন।স্থানীয় সূত্রে থেকে জানা যায়, উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির কৃষ্ণপুর বাজার থেকে জিৎপুর যাবার পথে একটি পুরনো কালর্ভাট বেশ কয়েক মাস আগে ভেঙ্গে পড়ে। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর হতে ২৮ লাখ ১১ হাজার ৪২ টাকার অর্থায়নে ৩৬ ফুট দৈঘ্যের সেতু/কালর্ভাট এর নির্মাণ কাজ পায় রাজশাহী নগরীর মুসা হাজি ও সাহিন নামের ঠিকাদার। বেশ কয়েক মাস আগে সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হয়। কিন্তু সেতুর সংযোগ সড়ক বিছিন্ন রেখেই ঠিকাদাররা লাপাত্তা হয়ে যায়। এতে কৃষ্ণপুর, লছিরামপুর, পাঁচন্দর, দেওলা, ডাঙ্গাপাড়া, পুরানাপাড়া, কচুয়া ও মাহানপুর গ্রামের প্রায় ১২ হাজার মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরায় প্রায় বন্দিদশা অবস্থা বিরাজ করছে।এনিয়ে ওই এলাকার সৈনিকলীগ নেতা সাদিকুল ইসলাম ও কৃষকলীগ কর্মী রাব্বি আল-আমিনসহ আরও অনেকে জানান, ওই সেতু নির্মাণে খুবই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। দীর্ঘ ৫ মাসেও এই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি, বেশ কয়েক দিন আগে হটাৎ বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ভেঙ্গে পড়েছে। সেতু দিয়ে কোন যানবাহন তো দূরের কথা পায়ে হাটাও ভিষণ কষ্টকর ও ঝুঁকি পূর্ণ। এ অবস্থায় সেতু সংশ্লিষ্টদের বলা হলেও তারা কোন প্রকার কর্ণপাত করেনা। ফলে নিরুপায় হয়ে আমাদের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন যুবক সেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সেতুর ভিতরে ও বাইরে মাটি ফেলে ভরাট করছি। আমাদের মনে হয় আরও বেশ কয়েকদিন এ কাজ করতে হবে। এ ব্যাপারে ঠিকাদার মুসা হাজি ও সাহিনের সঙ্গে একাধিকবার বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদেরকে পাওয়া যায় নাই।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/ ২ মে ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর