হুমায়ুন কবীর হীরু,ডবলমুরিং (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ শুরু থেকেই নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে। তা অংশ হিসেবে সর্বশেষ জনবান্ধব এবং স্বাস্থ্যকর একটি উদ্যোগ হচ্ছে খোলা মাঠে চট্টগ্রামের কাঁচাবাজার স্থানান্তর প্রক্রিয়া। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ (১৭ই এপ্রিল শুক্রবার ) চট্টগ্রামের দ্বিতীয় বৃহত্তম চকবাজার কাঁচাবাজারটি স্থানান্তর করা হলো চকবাজারের প্যারেড মাঠে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ মাহাবুবর রহমান বিপিএম, পিপিএম এর নির্দেশে উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব এসএম মেহেদী হাসান, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) এর তদারকিতে এই কাঁচা বাজার স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে একটি মডেল কাঁচাবাজার স্থাপনের প্রক্রিয়া হিসেবে গত কয়েকদিন যাবৎ চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ চকবাজার কাঁচা বাজার সমিতির নেতাদের সাথে এবং ইজারাদারদের সাথে আলোচনা করেন। আলোচনার সিদ্ধান্ত মতে গত কয়েক দিন যাবত কাঁচা বাজার স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং সকল দোকান মালিক এবং কাঁচা বাজার ব্যবসায়ীদের সহায়তায় চকবাজারের প্যারেড মাঠে প্রায় ৩৫০টি অস্থায়ী কাঁচা ঘর নির্মাণ করা হয়। আজ সকাল আটটা থেকে স্থানান্তরিত এই কাঁচা বাজারে বেচাকেনা শুরু হয়।মাঠে দুইটি গেইট আছে,একটি গেট দিয়ে ব্যবসায় ও ক্রেতাগন প্রবেশ করবেন এবং কেনাকাটা শেষে অন্য গেট দিয়ে বের হয়ে যাবেন। এই প্রক্রিয়ায় একজন আরেকজনের মুখোমুখি হবে না এবং ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কম থাকবে। এই বাজারে চকবাজার এলাকা সহ আশেপাশে বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য মানুষ স্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাচা বাজার সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় করতে পারবেন। বাজারটি সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এবং সামাজিক দূরত্ব রক্ষার উদ্দেশ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের সম্ভাবনা যতদিন থাকবে ততদিন এই বাজারের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
মহানগরীর অন্যান্য এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে উম্মুক্ত মাঠে এরকম কাঁচাবাজার স্থাপনের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।করোনা ভাইরাসের বিস্তার ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে সিএমপি কর্তৃক স্থাপিত এসব কাঁচাবাজার নগরবাসীকে অনেকটাই স্বস্তি দেবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৭ এপ্রিল ২০২০/ইকবাল