April 7, 2026, 1:46 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

ঐতিহ্যবাহী নীলাখিয়া আর.জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় টিফিন প্রিয়টে ছুটির ঘণ্টা

সাইফুল ইসলাম ঃ

mostbet

জামালপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী নীলাখিয়া আর.জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উদাসীনতায় ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটির ঐতিহ্য হারাতে বসেছে।
১৯৩৫ সনে প্রতিষ্ঠিত নীলাখিয়া আর.জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করার পর বিদ্যালয়টির সুনাম সু-খ্যাতি নিয়ে অর্ধশত বছরে বিদ্যালয়টির অনেক শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশে সু-নাগরিকের পরিচয় বহন করে আসছে। তৎসময়ের অনেক শিক্ষার্থী ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার এডভোকেট সচিব হয়ে বিদ্যালয়টির মুখ উজ্জ্বল করেছে। বর্তমান সময়ে অযোগ্য অথর্ব অর্ধ্বকানা প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়টির দায়িত্বভার গ্রহণের পর বিদ্যালয় চলছে নামকা ওয়াস্তে।
আজ ২০ জানুয়ারি সোমবার। সরেজমিনে দেখাগেছে, ৪ ক্লাসের পর টিফিন আওয়ারেই সকল শিক্ষার্থী দলবেধে বিদ্যালয় ত্যাগ করতে। বিদ্যালয়ের অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষক মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানিয়েছেন এই মাস পর যথানিয়মে ক্লাস নিবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেনকে অযাচিত ছুটির বিষয়টি অবহিত করলে তিনি জানিয়েছেন সকল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন। জানাগেছে, ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটিতে ১৪/১৫শত শিক্ষার্থী বিগত ক’বছর আগেই ছিল। প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন নিয়োগের পর শিক্ষার মান নিম্নমূখী হওয়ায় শিক্ষার্থী অর্ধেকের ঘরে নেমে এসেছে। ২০১৯ সনের জে.এস.সি পরীক্ষায় ১৮১ শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৬২ জন পাস করলেও জিপিএ-৫ শূণ্য। এতেই বুঝা যায় শিক্ষার মান নিম্নমূখী। একাধিক শিক্ষার্থী অভিভাবক ও শিক্ষকদের দাবী প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না। শাররীক অসুস্থ্যতা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়ে কিছু সময়ের জন্য এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। তিনি চোখেও কম দেখেন। তার দূর্বলতাকে পুঁজিকরে অন্যান্য শিক্ষকরা যতেচ্ছাভাবে বিদ্যালয়ে পড়ালেখা চালিয়ে যান। অধিকাংশ শিক্ষক প্রাইভেট টিউশন বাণিজ্য নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। বিদ্যালয়ের প্যারা শিক্ষক শ্রী মানিক চৌধুরী বিদ্যালয়ের অদূরেই গড়ে তুলেছেন কোচিং বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান। এক অভিযোগ পত্রে জানাগেছে, মানিক চৌধুরী এস.এস.সি পাস। তাকে বিদ্যালয়ের প্যারা শিক্ষক রেখে দেওয়ার বিষয়টি শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অনেক সচেতন অভিভাবক মহল ভাল চোখে দেখছেন না। এ ব্যাপারে প্যারা শিক্ষক মানিকের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানিয়েছেন তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচ.এস.সি। তাকে বিদ্যালয়ে বিগত ১১/১০/২০০৮ তারিখে প্যারা শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তৎসময় থেকে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকতা করে আসছে। মানিকের দাবী তার সুনাম সু-খ্যাতি নষ্ট করার জন্য কতিপয় স্বার্থনেষীরা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী অভিভাবক মহলের দাবী বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে এনে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ঐতিহ্য ফেরানোর।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২০ জানুয়ারি ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর