আনু আনোয়ার,পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ
কালের স্বাক্ষী হয়ে আছে পটুয়াখালীর ৫শ’ বছরের অলৌকিক প্রাচীন শাহী মসজিদ। পটুয়াখালীর জেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কি.মিটার দক্ষিন-পশ্চিমে মজিদবাড়িয়া গ্রামে অবস্থান প্রচীন এই মসজিদটির। সংরক্ষন আর তদারকির অভাবে মসজিদটি এখন জড়াজীর্ন । তারপরও এটি দেখতে ছুটে আসেন শত শত মানুষ। দ্রুত মসজিদটি সংরক্ষনের দাবি দর্শনার্থীদের।স্থাণীয়রা জানান, ১৪৬৫ খ্রিস্টাব্দে রুকুন উদ্দিন বরকত শাহের আমলে খাঁন অজিয়াল খাঁ মসজিদটি নির্মান করেন। ৫শ’ বছরের প্রাচীন নির্মান শৈলী ও সুদক্ষ কারুকাজে নির্র্মিত মসজিদটি মুসলিম ইতিহাস আর ঐতিহ্যের নিদর্শন স্বরূপ। এর পাশে রয়েছে আরেক এক বিশাল পুকুর। এটিতে কোন ঘাটলা না থাকায় ওজু-গোসলসহ নানা ভোগান্তিতে পড়ছেন সবাই।তবে সংরক্ষন আর সঠিক দেখভালের অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে মসজিদের প্রায় সব কারু কাজ । খসে পড়েছে ইট সুড়কিও। সম্প্রতি কিছু মেরামতের কাছ করা হলেও এখনো বর্ষার সময় মসজিদের ছাদ চুষে পানি পড়ছে। প্রাচীণ মসজিদ এলাকায় নেই কোন বিশ্রামাগার। স্থানীয়র লোকজনের দাবী এই দর্শনীয় স্থাপনাটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও সংস্কারের ব্যবস্থা করা হোক।পটুয়াখালী প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক মোঃ আলতাফ হোসেন জানান, মজিদ বাড়িয়ার শাহী মসজিদটি একটি অন্যন্য প্রাচীণ স্থাপনা। যা পটুয়াখালীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাক্ষ্য বহন করে। সকলে মিলে এসব প্রাচীন নিদর্শন রক্ষা করতে হবে।ভবিষ্যত প্রজম্মের কাছে ইতিহাস,সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য তুলে ধরতে খুব দ্রুত মুসলিম ধর্মের এই অলৌকিক প্রাচীন মসজিদটি সংরক্ষন করবে সরকার। এমটাই প্রত্যাশা সবার।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৯ আগস্ট ২০১৯/ইকবাল