March 4, 2026, 8:52 am

সংবাদ শিরোনাম
শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প পীরগাছার শল্লার বিল: ঘর উঠেছে, আস্থা ভেঙেছে লালমনিরহাটে ভোর বেলার অভিযানে অনলাইন ক্যাসিনো চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৮২ সিম গঙ্গাচড়ায় মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি রায়হান সিরাজী সরকারি দপ্তরে হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান আখতারের আমার কিছু হলে দায় ভরসা ও বিএনপিকে নিতে হবে’—হারাগাছ সফর ঘিরে উত্তাপ ৩১ বছর পর রায়ের ছায়া: মিঠাপুকুরের হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ধূসর বিকেল থেকে স্বচ্ছ ভোর: এক বিদায়ের অন্তরালে রাষ্ট্রের আয়না

চালের বাজারে অস্থিরতায় বাড়ছে আটা-ময়দার দামও

চালের বাজারে অস্থিরতায় বাড়ছে আটা-ময়দার দামও

pin up pinup

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

চালের বাজারে অস্থিরতার সুযোগ ব্যবসায়ীরা আটা-ময়দার দাম বাড়িয়ে চলেছে। সম্প্রতি চালের দাম বাড়ার পরে সব কোম্পানির খোলা ও প্যাকেটজাত আটা-ময়দার দাম বেড়েছে। এই সময়ে আটা ও ময়দার দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে সাধারণ মানের খোলা আটা প্রতি কেজি ২৮ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা চলতি মাসের শুরুতে ছিল ২৩ থেকে ২৫ টাকা। আর বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেটজাত আটা ২৯ থেকে ৩০ টাকা ছিল। তা এখন বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৪ থেকে ৩৫ টাকায়। তাছাড়া তীর ব্র্যান্ডের লাল আটার কেজি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকায়। একইভাবে ৩৪ থেকে ৩৬ টাকার খোলা ময়দা এখন ৩৮ থেকে ৪০ টাকা হয়েছে। আর কোম্পানিগুলোর বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত ময়দা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা, যা আগে ছিল ৪০ থেকে ৪২ টাকা। টিসিবি ও বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, চালের বাজারে অস্থিরতার সুযোগে গমের দামও বেড়েছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে আমদানিকারক ও পাইকারি পর্যায়ে গমের দাম মণপ্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে গমের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে আটা-ময়দারও দাম বেড়েছে। যদিও এখনো আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম কম। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়িরা দেশে চালের দর বৃদ্ধিতে গমের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। গমের দর মণে ৫০ টাকা বাড়লেও কোম্পানিগুলো খোলা আটা ও ময়দার দাম বস্তাপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পযন্ত বৃদ্ধি করেছে। ওই কারণে পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের প্রকাশিত পণ্যের দরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে গমের গড় দর ছিল ২০২ ডলার। গত আগস্টে তা ৩১ ডলার কমে ১৭১ ডলারে লেনদেন হয়েছে। যেখানে ২০১৪ সালে দর ছিল ২৪৫ ডলার থেকে ২৮৪ ডলার। তারপরের বছরগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ২০০ ডলারের কাছাকাছি ছিল।

সূত্র জানায়, আটা তৈরির উপযোগী আগে প্রতি মণ গমের দাম ছিল ৭৬০ থেকে ৭৭০ টাকা। বর্তমানে তা ৮১৫ থেকে ৮২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে ময়দা তৈরির গমের দাম ছিল ৯৬৫ থেকে ৯৭০ টাকা। বর্তমানে তা ১ হাজার ১৫ থেকে ১ হাজার ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে গমের কোনো সংকট না থাকলেও আমদানিকারকরা নানা অজুহাতে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এক সপ্তাহ আগে ৫০ কেজি ওজনের এক বস্তা আটার দাম ছিল ১ হাজার ৫০ টাকা। ওই হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ে ২১ টাকা। এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ টাকায়। ওই হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ে ২৬ টাকা। এক সপ্তাহ আগে ৫০ কেজি ওজনের এক বস্তা ময়দার দাম ছিল ১ হাজার ৩০০ টাকা। ওই হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ে ২৬ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৮০ টাকায়। ওই হিসাবে প্রতি কেজি ময়দার দাম পড়ছে প্রায় ৩২ টাকা।

এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, এক মাসে আটার দাম বেড়েছে ১৪ শতাংশ। আর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, দেশে গম আমদানি বাড়লেও আটার দাম কমেনি। বরং উল্টো বেড়েছে। চালের দাম বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আটা ও ময়দার দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ৬ আগস্ট থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ এক মাসে ৫ লাখ ৬০ হাজার টনের বেশি গম বিশ্বের বিভিণœ অঞ্চল থেকে দেশে এসেছে। আর চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা ১০ লাখ ৪৭ হাজার টন গম আমদানি করেছে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর