March 23, 2026, 9:11 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

বিদেশে পালিয়ে যাবার অপচেষ্ঠা- ছাতকে দেড়মাসেও ধর্ষক গ্রেফতার না হওয়ায় সাক্ষিকে মারধোর

চান মিয়া ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

ছাতকে একটি ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় বাদিকে মামলা তুলে নেয়ার হুমকিসহ সাক্ষিনীকে ব্যাপক মারধোর করেছে। এ ঘটনায় সাক্ষিনী পারভিন বেগম বাদি হয়ে ধর্ষকসহ ৫জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। এরপর থেকে সে বিদেশে পালিয়ে যাবার অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। জানা যায়, গত ৯এপ্রিল রাত প্রায় ৮টায়

দোলারবাজার ইউপির দক্ষিণ কুর্শি গ্রামের ছোট মিয়ার মেয়ে নাজমিন বেগম (১৮) ঘরের পেছনের টিবওয়েল থেকে পানি আনতে গেলে পাশের বাড়ির আব্দুল হকের পুত্র লম্পট ফয়ছল আহমদ (২৫) তাকে জোরপূর্বক তোলে নিয়ে যায়। পরে বাড়ির পূর্ব পাশের ধান ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে অনেক খোজাখুজির পর অচেতন অবস্থায় তাকে ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করেন। এব্যাপারে নাজমিন বেগম বাদি হয়ে ছাতক থানায় মামলা নং ১৩, তাং ১১.০৪.২০১৮ইং ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(১)

দায়ের করা হয়। কিন্তু মামলা দায়েরের পর থেকে আসামি গ্রেফতারে রহস্যজনক নীরবতা জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এদিকে আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় বাদিনীর ফুফু ও মামলার সাক্ষিনী পারভিন বেগম স্বামির বাড়ি থেকে পিত্রালয়ে বেড়াতে এসে ১৭এপ্রিল সকাল ৯টায় দক্ষিণ কুর্শি গ্রামের পূর্বদিকের সরকারি রাস্তা দিয়ে একই গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়ি যাবার পথে মামলার প্রধান আসামি (ধর্ষক) ফয়ছল আহমদের বাড়ির সামনে আসলে তার নেতৃত্বে তারেক মিয়া, আফিয়া বেগম, মারজানা বেগম ও আব্দুল হক মিলে ব্যাপক মারধোর করে। এসময় পারভিন বেগমের কাছ থেকে স্বর্ণালংকারসহ প্রয়ি লক্ষাধিক টাকার মালামাল ছিনিয়ে নেয়া হয়। পরে লোকজন তাকে ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করেন। এবাপারে পারভিন বেগম বাদি হয়ে ছাতক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে প্রায় দেড়মাসেও এটি রেকর্ড করা হয়নি। ফলে ধর্ষক ফয়ছল এখন বিদেশে পালিয়ে যাবার অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

 

 

 

 

 

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৬মে২০১৮/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর