January 13, 2026, 2:05 pm

সংবাদ শিরোনাম
শোক ও শ্রদ্ধায় সারা দেশে খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ইতিহাসে বৃহত্তম জানাজা লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা শেষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মরদেহ জিয়া উদ্যানে দাফন শ্রদ্ধাঞ্জলি : ত্যাগ ও দেশপ্রেমে উজ্জ্বল এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মহেশপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেফতার চা শ্রমিক ভোটব্যাংক: মৌলভীবাজারের নির্বাচনী রাজনীতির সবচেয়ে নির্ণায়ক জনশক্তি রংপুর-৪ আসনে শাপলা কলি মার্কার মনোনয়ন ফরম নিলেন এনিসিপির নেতাকর্মীরা জেএসইউপি’র কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন, নাজমা সুলতানা নীলা- সভাপতি, সাইফুল্লাহ খান- সাধারণ সম্পাদক। রাতারাতি বাঁশের বেড়ার পরিবর্তে ইটের প্রাচীর দিল অভিযুক্তকারীরা নবীগঞ্জে অপারেশন ডেভিল হান্ট টু এর বিশেষ অভিযানে আওয়ামিলীগ নেতা নুরুল হোসেন গ্রেফতার

বিদেশে পালিয়ে যাবার অপচেষ্ঠা- ছাতকে দেড়মাসেও ধর্ষক গ্রেফতার না হওয়ায় সাক্ষিকে মারধোর

চান মিয়া ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

mostbet mostbet

ছাতকে একটি ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় বাদিকে মামলা তুলে নেয়ার হুমকিসহ সাক্ষিনীকে ব্যাপক মারধোর করেছে। এ ঘটনায় সাক্ষিনী পারভিন বেগম বাদি হয়ে ধর্ষকসহ ৫জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। এরপর থেকে সে বিদেশে পালিয়ে যাবার অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। জানা যায়, গত ৯এপ্রিল রাত প্রায় ৮টায়

দোলারবাজার ইউপির দক্ষিণ কুর্শি গ্রামের ছোট মিয়ার মেয়ে নাজমিন বেগম (১৮) ঘরের পেছনের টিবওয়েল থেকে পানি আনতে গেলে পাশের বাড়ির আব্দুল হকের পুত্র লম্পট ফয়ছল আহমদ (২৫) তাকে জোরপূর্বক তোলে নিয়ে যায়। পরে বাড়ির পূর্ব পাশের ধান ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে অনেক খোজাখুজির পর অচেতন অবস্থায় তাকে ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করেন। এব্যাপারে নাজমিন বেগম বাদি হয়ে ছাতক থানায় মামলা নং ১৩, তাং ১১.০৪.২০১৮ইং ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(১)

দায়ের করা হয়। কিন্তু মামলা দায়েরের পর থেকে আসামি গ্রেফতারে রহস্যজনক নীরবতা জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এদিকে আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় বাদিনীর ফুফু ও মামলার সাক্ষিনী পারভিন বেগম স্বামির বাড়ি থেকে পিত্রালয়ে বেড়াতে এসে ১৭এপ্রিল সকাল ৯টায় দক্ষিণ কুর্শি গ্রামের পূর্বদিকের সরকারি রাস্তা দিয়ে একই গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়ি যাবার পথে মামলার প্রধান আসামি (ধর্ষক) ফয়ছল আহমদের বাড়ির সামনে আসলে তার নেতৃত্বে তারেক মিয়া, আফিয়া বেগম, মারজানা বেগম ও আব্দুল হক মিলে ব্যাপক মারধোর করে। এসময় পারভিন বেগমের কাছ থেকে স্বর্ণালংকারসহ প্রয়ি লক্ষাধিক টাকার মালামাল ছিনিয়ে নেয়া হয়। পরে লোকজন তাকে ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করেন। এবাপারে পারভিন বেগম বাদি হয়ে ছাতক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে প্রায় দেড়মাসেও এটি রেকর্ড করা হয়নি। ফলে ধর্ষক ফয়ছল এখন বিদেশে পালিয়ে যাবার অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

 

 

 

 

 

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৬মে২০১৮/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর