April 7, 2026, 2:47 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

বেগমগঞ্জে কয়েকটি খালে বিষাক্ত পানির কারনে পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতির সম্মুক্ষিন

বেগমগঞ্জ থেকে মোঃ আনিছুল হকঃ

mostbet

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের উপর দিয়ে প্রবাহিত কয়েকটি খালে মাছ ও মুরগী খাদ্য ফ্যাক্টরীর কেমিক্যাল ও আবর্জনা পানির সাথে মিশে বিষাক্ত হওয়ার কারণে খালপাড় সহ আশে পাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ পানি ব্যবহার করে পানি বাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, চৌমুহনী-নোয়াখালী খাল, বেগমগঞ্জ-মহেন্দ্র খাল, চৌমুহনী-ছাতারপাইয়া খাল, চৌমুহনী-ফেনী সংযোগ খাল সহ কয়েকটি শাখা খালে পার্শ্ববর্তী মিরওয়ারিশপুর, চৌমুহনী মহেশগঞ্জ বাজার এবং এর পার্শ্ববর্তী একটি স্থানে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মোরগ ও মাছের খাদ্য তৈরির কারখানা অপরিকল্পিত ভাবে নির্মাণ করে খাল গুলিতে প্রতিদিন কেমিক্যাল ও ময়লা আর্বজনা ফেলে থাকে। ফলে খালগুলোর পাড়ে নিম্ন আয়ের মানুষ ও আশ পাশের লোকজন খালের বিষাক্ত পানি ব্যবহার করে চুলকানী, ফোঁড়া, চামড়া উঠে যাওয়া, হাঁচি, কাঁশি, মাথা ব্যাথা, চোখে মুখে পানি বের হওয়া সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে একজন বিশেষজ্ঞ জানান, কারখানা গুলো থেকে খালপাড় দিয়ে দূরে হলেও দক্ষিণে মেঘনা নদীর মোহনা পর্যন্ত পাইপ লাইন দিয়ে কেমিক্যাল ও ময়লা আবর্জনা ফেলে দেওয়ার ব্যবস্থা করলে খালপাড় ও তার আশপাশের মানুষ রোগ ব্যাধি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে রক্ষা পাবে।
বেগমগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানান, বেগমগঞ্জে কয়েকটি খাল ও শাখা খালে দেশীয় জাতের মাছ সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে প্রতি বছর অভয়ারণ্য সাইন বোর্ড টাঙ্গানো হলেও  কে বা কাহারা সাইন বোর্ড তুলে নিয়ে যায়। এছাড়া বিষাক্ত কেমিক্যাল ও আবর্জনা খালে পড়ে মাছের ক্ষত রোগ সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে শৈল, টাকি, কৈ, গজার, মেনি মাছ সহ সকল প্রকার দেশীয় মাছ ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে ভোক্ত ভোগীরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/রুহুল আমিন

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর