March 20, 2026, 5:55 pm

সংবাদ শিরোনাম
শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প পীরগাছার শল্লার বিল: ঘর উঠেছে, আস্থা ভেঙেছে

কুম্ভস্নান সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

হাসানুজ্জামান নয়া দিল্লী:

কুম্ভস্নান সারলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে শাহী স্নানের বিশেষ দিনে নয়, মোদি স্নান করলেন অন্য এক তিথিতে। মাঘ মাসের এই অষ্টমী তিথিও শাস্ত্রে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ঠিক কী কারণে এই তিথিকেই বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী? আসুন শুনে নেওয়া যাক।

হাজার নয়, লাখ নয়, কয়েক কোটি ভক্ত ইতিমধ্যেই স্নান সেরেছেন কুম্ভে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, থেকে শুরু করে সকলেই সেই দলে শামিল। তবে এতদিনেও প্রধানমন্ত্রীকে কুম্ভে দেখা যায়নি। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটল, পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ মহাকুম্ভে স্নান সারলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

রামমন্দির উদ্বোধন হোক বা কণ্যাকুমারীর বিবেকানন্দ রক, প্রধানমন্ত্রীকে হামেশাই দেশের বিভিন্ন মন্দিরে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। যেখানে তাঁর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রী যাননি। কনকনে ঠাণ্ডায় হিমালয়ের গুহায় ধ্যান করা, বিভিন্ন অবতারে মোদিকে দেখেছেন দেশের মানুষ। এবার পালা কুম্ভের। যে ভিড়ে গোটা দেশ, এমনকি বিদেশের মানুষজন সামিল হচ্ছেন, সেখানে হাজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। স্রেফ তাঁকে দেখতেই ভিড় জমিয়েছেন অনেকে। প্রধানমন্ত্রী স্নান করছেন এই দৃশ্য দেখাই যেন পরম সৌভাগ্যের! এমনটাই ধারণা প্রধানমন্ত্রীর ভক্তকূলের। তবে কুম্ভ শুরু হয়েছে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি শাহী স্নান সম্পন্ন হয়েছে।

এমনকি বিশেষ যোগ সম্পন্ন মৌনী অমাবস্যাও পেরিয়ে গিয়েছে। এর কোনওটাতেই প্রধানমন্ত্রীকে দেখা যায়নি। এমনকি বসন্ত পঞ্চমীতেও কুম্ভে যাননি প্রধানমন্ত্রী। গিয়েছেন তার ঠিক দুদিন পর, মাঘের অষ্টমী তিথিতে। তাতেই প্রশ্ন উঠছে, কেন এমন সিদ্ধান্ত? কী বিশেষত্ব মাঘের এই তিথির?

শাহী স্নানের দিন না হলেও, শাস্ত্রে এই দিনের গুরুত্ব যথেষ্টই। আসলে, এই তিথি গুপ্ত নবরাত্রির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। এমনিতে বছরে চারবার নবরাত্রি পালিত হয়। তার মধ্যে দুটি গুপ্ত। অর্থাৎ সাধকরা গুপ্তভাবে তা পালন করেন। বিশেষ তন্ত্রক্রিয়া থেকে গুহ্য সাধনা, সবই চলে এই বিশেষ সময়ে। আর অষ্টমী মানেই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয়ের দিন। তাই এই দিনটিকেই স্নানের জন্য বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এমনটা মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। যদিও এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। বরং এই দিনটির আরও একটি বিশেষত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। তা হল নির্বাচন। আসলে, এবারের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের দিন হিসেবেও বেছে নেওয়া হয়েছে ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখটিকেই। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি দিল্লির নির্বাচনে প্রচার হিসেবে মহাকুম্ভে ডুব দেওয়ার জন্য এই দিনটিকে বেছে নিয়েছেন নমো? এক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, দেশবাসীর ভালো থাকার জন্য দেশবাসীর প্রার্থনার কথা মাথায় রেখেই গঙ্গায় ডুব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর