নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরের মধুখালীতে এক নববধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে এলাকাবাসী ওই নববধূর স্বামীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন পশ্চিমপাড়া গ্রামে গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই নববধূর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত ওই নববধূর নাম মারুফা বেগম (১৫)। সে ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন গ্রামের মৃত জাফর শেখের মেয়ে। সে ডুমাইন রামলাল উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার স্বামী সাইফুল ইসলাম ওরফে সাদ্দাম (২৪) উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের মৃত আহম্মদ শেখের ছেলে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন পশ্চিমপাড়ার মারুফা বেগমের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে এলাকাবাসী মারুফা বেগমের স্বামী সাইফুলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। মারুফার মা দিপালী বেগম বলেন, ‘চার মাস আগে সাইফুলের সঙ্গে আমার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে নানাভাবে চাপ দিয়ে আসছিল।’ তিনি আরও বলেন, তাঁর মেয়ে কিছুদিন ধরে বাবার বাড়িতে ছিল। চার দিন আগে তার স্বামী শ্বশুরবাড়িতে আসেন।
এলাকাবাসী বলেন, এ ঘটনার পর সাইফুল পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামবাসীরা ধরে তাঁকে আটক করে মধুখালী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ডুমাইন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. খুরশিদ আলম বলেন, আলামত দেখে মনে হয়েছে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাইফুলের মা আমেনা বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে শ্বশুরবাড়িতেই ছিল। সেখানে কী হয়েছে তা জানি না।’