April 8, 2026, 7:59 am

সংবাদ শিরোনাম
নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল

বকশিগঞ্জে সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে বিলম্বে শিক্ষক উপস্থিতির অভিযোগ

সাইফুল ইসলাম,বকশিগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ

mostbet

উপজেলার অনেকগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা নিদৃষ্ট সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়ে বিলম্বে উপস্থিত দেখা গেছে।
সকাল ৯টায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতি ও শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার নিয়ম থাকলেও বকশিগঞ্জ উপজেলার ২নং সারমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র ভিন্ন। শিক্ষকরা মনগড়াভাবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে থাকে।
আজ ১৪ মার্চ শনিবার সকাল ৯টায় আমাদের প্রাইভেট ডিডেক্টিভ নিউজ প্রতিনিধি উপস্থিত হলে বিদ্যালয়টিতে ৮ জন শিক্ষকের স্থলে উপস্থিত পান প্রধান শিক্ষক রওশন আলম মোঃ হাফিজুল হক সহ সহকারী শিক্ষক সুলতানা রাজিয়াকে। প্রতিনিধির উপস্থিতি থাকাকালে ৯টা ২৬ মিঃ সময়ে উপস্থিত হন শিক্ষক তাসলিমা খাতুন। ৯টা ৩৮ মিঃ সময়ে উপস্থিত হন শিক্ষক শামীমা ইয়াসমিন। শিক্ষক মোস্তালিনা জামান উপস্থিত হন ৯টা ৪৫ মিনিটে। ১০টা পর্যন্ত সময়ে সোমা খাতুন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারেনি। ২ শিক্ষক মৌসুমী ও সোনিয়া আক্তার প্রশিক্ষণে। শিক্ষকদের দেরিতে উপস্থিত হওয়ার ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক রওশন আলম মোঃ হাফিজুল হক জানিয়েছেন মহিলা মানুষ অনেক সময় কাজ-কাম সেরে আসতে দিরে হয়। পথে ঘাটেও গাড়ী ঘোড়ায় দেরি হয়।
একইদিনে সকাল ১০টা ১০ মিঃ সময়ে চিতলমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে কোমলমতি ৪ জন শিশু শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ঝাড়– দিচ্ছে।
৭নং ধারারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেলা ১১টায় উপস্থিত হয়ে দেখা গেছে, ৫ শিক্ষকের স্থলে ৩ শিক্ষক উপস্থিত রয়েছেন। ১ শিক্ষক আফরিন সুলতানা দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়ে আসেন না। শিক্ষক ফাতেমা ইউআরসি’তে প্রশিক্ষণে আছেন। কাগজে-কলমে মোট শিক্ষার্থী ৮৪ জন। বাস্তবে উপস্থিত আছে শিশু, ১ম ও ২য় শ্রেণিতে মাত্র ১৭ শিক্ষার্থী উপস্থিত রয়েছে। জানাগেছে, পরবর্তী ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণি মিলিয়ে মাত্র ১৪/১৫ জনের বেশি উপস্থিত হয় না। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মোঃ রাশেদুজ্জামানের নিকট জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের আশপাশে অনেকগুলো বিদ্যালয়, সে জন্য ছাত্র-ছাত্রী কম। এছাড়াও এখন আলু তোলার মৌসুম ছাত্ররা টাকার বিনিময়ে আলু তুলে। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আহাম্মদ আলী সোজা জানিয়েছেন সরকারে বেতন দেবে আপনাদের মাথা ব্যথা কেন ?
সরকারের শত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও প্রাথমিক শিক্ষা দূর্বস্থার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মতামত নিতে একাধিকবার ফোনে চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ করেন নি।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৪ মার্চ ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর