March 23, 2026, 11:03 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

হয়রানি করতেই খালেদা জিয়ার ১৪ মামলা বিশেষ আদালতে: বিএনপি

হয়রানি করতেই খালেদা জিয়ার ১৪ মামলা বিশেষ আদালতে: বিএনপি

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘রাজনৈতিক কর্মকা-ে ব্যাঘাত সৃষ্টি’ এবং তাঁকে ‘হয়রানি-হেনস্তা করতে’ নতুন করে ১৪টি মামলা রাজধানীর বকশীবাজারের বিশেষ আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে তাঁর দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। গত সোমবার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা ১৪টি মামলা রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি জানান, সম্প্রতি আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এরপর রাজনৈতিকভাবে হয়রানির জন্যই এসব মামলা স্থানান্তর করা হয়েছেÑবিএনপির পক্ষ থেকে এ রকম অভিযোগ করা হলেও আইনমন্ত্রী বলেন, ‘উভয় পক্ষের নিরাপত্তার জন্যই ওই আদালতে মামলা স্থানান্তর করা হয়েছে। পুরান ঢাকার জজকোর্ট প্রাঙ্গণ একটি জনবহুল ব্যস্ত এলাকা। সেখানে খালেদা জিয়ার যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না। এ কারণেই উভয় পক্ষের কথা চিন্তা করে এ মামলাগুলো আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় এমনিতে সপ্তাহে কয়েক দিন আদালতে হাজিরা দিতে হয়। নতুন মামলাগুলো বকশীবাজারে স্থানান্তরের উদ্দেশ্য হলো খালেদা জিয়াকে প্রতিনিয়ত হয়রানির মধ্যে রাখা এবং অবিরামভাবে হেনস্তা করা। আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আবারও একতরফা করতে যে যড়যন্ত্র ও অপচেষ্টা চলছে, এটিও তার অংশ। রিজভী আরো বলেন, এটি প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে বিচারকাজ পরিচালনা করার গভীর ষড়যন্ত্র। আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আরো বেশি হয়রানি করতেই সরকারের আরেকটি নির্মম পদক্ষেপ। এ কারণেই সরকার এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়টি উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু আজও গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, শঙ্কা ও সংশয়ের মধ্যেই তফসিল ঘোষণা হয়েছে। হঠাৎ আইনি মারপ্যাঁচ দেখিয়ে নির্বাচনকে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা হয় কি না, তা নিয়ে জনমনে গভীর সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। রিজভী আরো বলেন, আদৌ নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না এমন প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে। ডিএনসিসি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলেও এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নির্বাচনী এলাকায় নেই। বিরোধী দলগুলোর সভা-সমাবেশ দূরে থাক, মতবিনিময় সভা করার মতোও পরিবেশ নেই।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর