April 7, 2026, 1:21 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

ভোলা বোরহানউদ্দিনে সন্ত্রাসীদের হামলায় পদ্মামসার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ও তার মা গুরুত্ব আহত

তৌহিদুল ইসলাম মুবিন, ভোলা জেলা প্রতিনিধি দক্ষিনঃ

mostbet

ভোলা বোরহানউদ্দিন কাচিয়া ০৮ নং ওয়ার্ড এর দালাল বাজার এ একদল সন্ত্রীদের হামলায়, ৬ ই ফেব্রয়ারি বৃহস্পতিবার, পদ্মামনসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র মোঃ ছালমান (১৫) কে, ও তার মা কে একদল সন্ত্রাসী বাহিনী, গুরুত্ব আহত করেছেন। আহত হওয়া ছাত্র, মোঃ ছালমান স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই তার বাড়িতে যাওয়ার পথে তাদের দরজায় বসার বৈঠক খানার সামনে যেতে না যেতেই হঠাৎ চার হুন্ডা ভর্তি ১২ জন সন্ত্রাসী বাহিনী হঠাৎ এসে তাকে হুন্ডার উপর উঠাতে চেষ্টা করে, তার পরই ছালমান উঠতে না চাইলে তখনই সন্ত্রাসীরা নবম শ্রেণির ছাত্রকে থাপর ও গুসি এবং পা দিয়ে লাথি শুরুকরে এবং ছালমান এর চিৎকার শুনতে পেয়ে তার মা বাড়ি থেকে আসতে দেখে ছালমানকে মাথায় লাঠি দিয়ে বারিদেয় এবং তার নাকমুখ থেকে রক্ত বের হয়, এবং তার মাকে ও এলোপাতাড়ি মাইর দোর করার পরই ছালমান ও তার মা অজ্ঞান হয়ে পড়েছে এবং ডাক চিৎকার শুনতে পেয়ে সন্ত্রাসীরা তাৎক্ষণিক পালিয়ে যায়, ১/মোঃ নাঈম, পিতা ছলেমান, ২/মোঃ সেলিম ও ৩/সোহেল সহ অন্যান্য অচেনা সন্ত্রাসী বাহীনিরা, সেলিমও সোহেল তার নিজ বাড়িতে গিয়ে পালিয়ে থাকে এবং নাঈম সহ অন্যান্য সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এলাকার জনগন ডাকচিৎকার শুনতে পেয়ে, তাৎক্ষণিক পাটোয়ারী বাড়িতে এসে ভিরকরে এবং তারা থানায় জানালে, তাৎক্ষণিক থানা থেকে পুলিশের সদস্য ও ঐ এলাকার মেম্বার মোঃ দ্বিন ইসলাম সহ, এসআই দেলোয়ার, এস আই হেমায়েত সহ সংজ্ঞিয় পোর্স সহ এসে ঘটনা স্থানে এসে জনগনের কাছে এই ঘটনার কথা শুনে এবং সেলিমদের ঘরে ঢুকে, সেলিম কে ঘর থেকে বের করে আনে। কিছু কথা জিজ্ঞেস করলে সেলিম পুলিশ সদস্যদের বলে আমি ঐ ছেলেদের মারামারি যেন না করতে পারে তার জন্য তাদের ছারিয়ে দিয়েছি, আর আহতো হওয়া ছালমান ও তার মা বলে সেলিম, এবং সোহেলও নাঈম সহ অন্যান্য অচেনা ছেলেরা আমাদেরকে এলোপারি মাইর দোর করে। এবং পুলিশ সদস্যরা জনগনকে বুঝিয়ে দিয়ে চলে যান। নবম শ্রেণির ছাত্র ছালমান ও তার মা বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসা দিন আছে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর