April 17, 2026, 11:23 am

সংবাদ শিরোনাম
হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু দুইশ’ ছাড়াল অধিকার না ব্যবসা? ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের অন্ধকার অর্থনীতি রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার

দাপ্তরিক কাজ চলছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে খুলনা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের

খুলনা প্রতিনিধিঃ

mostbet
ছাদ থেকে ভেঙে ভেঙে পড়ছে ইটের টুকরো। এর থেকে রক্ষা পেতে উপরে টাঙানো হয়েছে নেটের জাল। দরজা, জানালাও অনেকটা জরাজীর্ণ। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে এমন বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে খুলনা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের ভবন। তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনে চলছে দাপ্তরিক কাজকর্ম। ফলে প্রায়শই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ না নিলে ভবনটিতে প্রাণহানিসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।গত সোমবারও অফিস।সে দাপ্তরিক কাজ করার সময় ভবনের ছাদ ভেঙে কামনাশীষ নামের এক কর্মচারী আহত হয়েছেন। ফলে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অফিসে আসা সেবা প্রত্যাশী জনসাধারণ। সংশ্লিষ্ট কার্যালয় সূত্র জানায়, জমি রেজিস্ট্রেশন ও আনুষঙ্গিক কাজের জন্য নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ নগর ভবনের পাশে স্বাধীনতার আগে বহু কক্ষ বিশিষ্ট জেলা ভূমি রেজিস্ট্রার কার্যালয় নির্মাণ করা হয়। সেই থেকে এই কার্যালয় থেকে খুলনা জেলার বাসিন্দারা রেজিস্ট্রি ও ভূমি সংক্রান্ত সকল জটিলতা নিরসনে সেবা গ্রহণ করে থাকেন। এই কার্যালয়ে দৈনন্দিন সেবা প্রদানের জন্য কর্মরত রয়েছেন অন্তত দেড় শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী। এছাড়া ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা ও নানা প্রয়োজনে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আসা-যাওয়া করে এ অফিসে।রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ও সেবা প্রত্যাশীরা জানান, ছাদ থেকে ইটের খোয়া ভেঙে ভেঙে পড়ছে। ছাদের বেশিরভাগ জায়গায় রড বেরিয়ে গেছে। নেটের জাল দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও সেটি সম্ভব হচ্ছে না। জমাট বাঁধানো কংক্রিট নেটের জাল ছিড়ে পড়ছে। এঅবস্থায় ভবনের মধ্যে কাজ করা মুশকিল হয়ে পড়েছে।খুলনা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের রেজিস্ট্রার বীর জ্যোতি চাকমা বলেন, ভবনে দেড় লাখ বালাম বইসহ নানা নথিপত্র ও আসবাবপত্র রয়েছে। আর দৈনন্দিন কাজ কর্ম করার জন্য এতো বড় ভবনও অন্যত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে এ ভবনে কাজ চালাতে হচ্ছে। এছাড়া পুরাতন ভবন ভেঙে অচিরেই চারতলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। গণপূর্ত বিভাগ ভবন নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করবে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১মার্চ২০১৮/ইকবাল
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর