April 5, 2026, 10:27 pm

সংবাদ শিরোনাম
রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬

পীরগঞ্জে ৭ জন কুষ্ঠ রোগী শনাক্ত

মোঃ ফারজুল ইসলাম:রংপুর

mostbet

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় অনুসন্ধান চালিয়ে সামাজিক অভিশপ্ত ব্যাধি হিসেবে পরিচিত ৭ জন কুষ্ঠ রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। গতকাল দিন ব্যাপী উপজেলার ১০ নং শানেরহাট ইউনিয়নের ৫ টি গ্রামে ৭ রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে জাতীয় কুষ্ঠ কর্মসুচী ও দি লেপ্রসি মিশন বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় শানেরহাট ইউনিয়নের খোলাহাটি, দামোদরপুর, পাহাড়পুর, ধল্ল্যাকান্দি এবং রায়তি সাদুল্লাপুর গ্রামে রোববার কুষ্ঠ রোগী সন্ধান করা হয়।

ওই অনুসন্ধানে ২১০ জন পুরুষ, ছেলে শিশু ১৫০ জন, মহিলা ৩১০ জন এবং কন্যা শিশু ১৪০ জন মোট ৮১০ জনের শরীরে রোগের লক্ষণ দেখে পরীক্ষা নীরিক্ষার পর ৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা রোগী শনাক্ত করা হয়।

সামাজিক কারণে তাদের নাম ও পরিচয় দেয়নি। যাদের শরীরে অনুভুতিহীন ফ্যাকাশে বা লালচে দাগ, মুখমন্ডলসহ শরীরে ব্যাথাহীন দানা বা গুটি, কানের লতি মোটা হওয়া, চোখের ভ্রুতে লোমের সংখ্যা আস্তে আস্তে কমে যাওয়া, ব্যাথাহীন ফোস্কা পড়া বা ঘা হওয়া, শরীরের চামড়ায় দাগবিহীন অবশ ভাব থাকলেই তা কুষ্ঠ রোগের লক্ষণ বলে জানা গেছে। রোববার এই রোগ চিহ্নিত করার পর দি লেপ্রসি মিশন বাংলাদেশ এর অর্থায়নে বিনামুল্যে ৬ মাসের চিকিৎসা শুরু করা হয়।

কুষ্ঠ রোগ অভিশপ্ত হওয়ায় মানুষ খারাপ বলবে বলে অনেকেই রোগটির কথা বলেন না। এমনকি চিকিৎসা নিতেও আসেন না বলে দি লেপ্রসি মিশন বাংলাদেশ এর পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর উপজেলার গবেষণা সুপারভাইজার শাহানা বেগম জানান। তিনি আরও জানান, বিগত ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর থেকে পীরগঞ্জ উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়নের ৩৩১টি গ্রামের ১ হাজার ৩৬৮ জনকে চিকিৎসা সেবা দেয়ায় তারা সুস্থ হয়েছেন।

চলতি বছর ২৬ জনের চিকিৎসা চলছে। আজকে (গতকাল) আরও ৭ জনের চিকিৎসা শুরু করা হলো। এ নিয়ে ৩৩ জনের চিকিৎসা চলছে। কুষ্ঠ রোগের যথাযথ চিকিৎসা না নিলে মানুষ বিকলাঙ্গ হয়ে যেতে পারে। তাই আমরা গ্রামে গ্রামে খুজে রোগী শনাক্ত করছি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক শামছুল আলম মন্ডল বলেন, মানুষ খারাপ বলবে এই ভয়ে কুষ্ঠ রোগীরা নিজেকে লোক চক্ষুর আড়ালে রাখেন। কিন্তু বিনা চিকিৎসায় তাদের হাত, পাসহ অঙ্গ প্রত্যঙ্গ পঙ্গু হয়ে যাবে। তা তারা ভাবে না। পাশাপাশি তারা নিজেদের নাম পরিচয়ও বলেন না। তাই আমরা এই রোগ সম্পর্কে সচেতন করে আসছি।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর