নোয়াখালী প্রতিনিধি::
জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলাধীন চৌমুহনী টেলিফোন এক্সচেঞ্জে ৩য় তলা বিশিষ্ঠ পুরাতন ভবনে থাকা লাখ লাখ টাকার মূল্যেবান জিনিসপত্র উধাও হয়ে গেছে। ৩০ শে জুন ২০২১ উক্ত এক্সচেঞ্জ এলাকায় নাইটগার্ড ছাড়া কোন কর্মকর্তা কর্মচারীকে দুপুর ২ ঘটিকার সময় কর্মস্থলে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। ভবনটির মধ্যে থাকা কেচি গেইট, বড় বড় দরজা, জানালা ভেতরে থাকা কক্ষগুলোর মধ্যে ফোনের মূল্যেবান সার্কিট সমূহ কিছুই নেই। এমনকি বিদ্যুৎ লাইন ও সুইচ বোর্ড গুলো ও নেই। অথচ চারি পাশে সীমানা দেওয়াল থাকলে ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহযোগীতায় লাখ লাখ টাকার মালামাল গুলো লুটপাট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে বর্তমান দ্বায়ীত্বে থাকা আবদুর রাজ্জাক কে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেসা করলে তিনি জানান দেড় মাস পূর্বে তিনি উক্ত অফিসে বদলী হয়ে এসেছেন। অসুস্থ থাকায় অফিসে আসতে পারেননী। বাকী স্ট্রাফ কর্মচারীদেও বিষয়ে জিজ্ঞেসা করলে তিনি কোন সদউত্তর দিতে পারেননী। ভবনে থাকা মালামাল সম্পর্কে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন আমি আসার আগেই এই গুলো চুরী হয়ে হয়েগেছে। তখন এ অফিসে দ্বায়ীত্বে ছিলেন মোঃ শামিম, রৌশন আলী, ও জাফর উল্যাহ। সূত্রমতে তাদের সহযোগীতায় বহিরাগতদেরকে দিয়েই রাতের অন্ধকারে এই মূলোবান জিনিসপত্র বাহির কওে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সংরক্ষিত এলাকা হলে ও স্থানীয় কর্মচারীরা এর ভেতরে ৮/১০ টি পরিবারকে বাসাগুলোতে বসবাসের জন্য ভাড়া দিয়ে রেখেছে। যথাসময়ে দূর্নিতিবাজ কর্মকর্তারা ভবনটি টেন্ডারে অকশান না দেওয়ায় সরকার প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে। টেলিফোন এক্সচেঞ্জটি বেহাত হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদেও বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে স্থানীয় ভাবে দায়িত্বে থাকা ডিজি এম আহম্মদ নজীরকে মোবাইলে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বস্থ করেন।