ডিটেকটিভ ডেস্কঃঃ
বাড়তি টাকা নেয়ার প্রবনতা, কর্মচারীদের অবহেলা এবং দালাল সিন্ডিকেট চক্রের দৌরাত্ম্যে দেশরে অধিকাংশ জেলায় সময়মত পাওয়া যায়না পাসপোর্ট। নওগাঁ ও লক্ষ্মীপুরে জরুরি ক্যাটাগরির পাসপোর্ট এক মাসেও মেলেনা। সাধারণ ক্যাটাগরির লেগে যায় ছয় থেকে আট মাস। ভুক্তভোগীরা বলছেন কারও কাছে অভিযোগ করেও সমাধান পাওয়া যায়না। মাসের পর মাস ঘুরতে গিয়ে শেষ হয়ে আসে ভিসার মেয়াদও।
নওগাঁর খাস-নওগাঁ মৃধা পাড়ার বাসিন্দা আব্দুল হান্নান। চিকিৎসার জন্য ১২ বছরের মেয়েকে নিতে হবে বিদেশে। তাই জরুরি ভিত্তিতে তার পাসপোর্ট করাতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ হান্নান নওগাঁ পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করেন ২৬ আগস্ট। পাসপোর্ট পেয়েছেন ১৮ অক্টোবর। তাতেও মায়ের নাম ভুল। সংশোধনের জন্য লাগবে আরও সময়। হান্নানের মতো এমন অভিযোগ আরও অনেকেরই।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দালাল ছাড়া কেউ সেবা নিতে গেলে শুরু হয় সময় ক্ষেপন, বাড়তি টাকা আদায়, হয়রানি। লক্ষ্মীপুরে সময়মতো পাসপোর্ট না পেয়ে নানা সমস্যায় পড়ছেন আবেদনকারীরা। কেউ চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারছেন না। আবার কারও শেষ হয়ে যাচ্ছে ভিসার মেয়াদ।
লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, করোনার মধ্যে পাসপোর্ট পেতে একটু সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু যাদের জরুরী পাসপোর্ট দরকার, সে পাসপোর্টগুলো আমরা মেইল করে আমরা জনগনকে আগায়ে দিচ্ছি। এমনও দেখা গেছে, অনেক পাসপোর্ট পড়ে আছে, লোকজন এসে নিচ্ছে না। আসলে তাদের পাসপোর্ট দরকার নেই।
ঝালকাঠি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকেও পাসপোর্ট পেতে লাগছে অতিরিক্ত সময়। যদিও করোনার কারণে আবেদনের চাপ কম। তবে ব্যতিক্রম পঞ্চগড় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। দ্রুত সেবা পেয়ে সন্তুষ্ট আবেদনকারীরা।