March 24, 2026, 8:56 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

মুন্সীগঞ্জের সাধনার দাদু আর নেই

মুন্সীগঞ্জের সাধনার দাদু আর নেই

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

মুন্সীগঞ্জের পুরোহিত যতীন্দ্র চন্দ্র ভট্টাচার্য ওরফে সাধনার দাদু আর নেই। তিনি ১০৮ বছর বয়সে শহরের জমিদারপাড়া বাসভবনে গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বার্ধক্যজনিত রোগে পরলোকগমন করেন। তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও দুই কন্যাসহ বহু আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। তার মৃত্যুর খবরে শহরে শোকের ছায়া নেমে আসে। তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে যান বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর আলহাজ মো. মহিউদ্দিনসহ সর্বস্তরের মানুষ। পরে বিকেলে শহরতলীর পঞ্চসার শশ্মানে তাকে দাহ করা হয়। মুন্সীগঞ্জর সবচেয়ে প্রবীণ হিসেবে পরিচিত পুরোহিত যতীন্দ্র চন্দ্র ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন শহরের পূরনো কাছারীর ‘সাধনা ঔষধালয়’ শাখাটি পরিচালনা করেছেন। একজন কবিরাজ হিসেবেও তার খ্যাতি ছিল। জ্ঞানর্চচার প্রতি ছিল তার প্রবল ঝোঁক। প্রতিদিন বেশ কয়েকটি পত্রিকা পড়তেন। তাই পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানে সংবাদপত্র বিক্রি করতেন। পরে সাধনা ঔষধালয় থেকে অবসর নিলেও সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্রটি পরিচালনা করে গেছেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। ঢাকার সবক’টি সংবাদপত্রই তার লেনদেন ও সংবাদপত্রের এজেন্ট পরিচালনায় ছিলেন শ্রেষ্ঠতম। তার আত্মীয়ের নামে এজেন্টটি হলেও তিনি পরিচালনা করে গেছেন নিজ হাতে। দীর্ঘদিন সাধনা ঔষধালয়ে পরিচালনার কারণে তার নামের পরিচিতি হয়ে যায় ‘সাধনার দাদু’ নামে। অনেকেই তার নাম জানতেন না। এমনকি জিজ্ঞাসাও করতেন না। বলতেন সাধনার দাদু। তার জীবন-যাপন ছিল পুরোপুরি শৃঙ্খল। হাঁটা, খাওয়া, নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম সবই ছিল সঠিক সময়ে। তিনি নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করতেন। ১০৮ বছরেও ছিলেন কর্মক্ষম। সকলের প্রিয় এই প্রবীণ মানুষটির মুত্যুতে ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানান। তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক সাংসদ আলহাজ মো. মহিউদ্দিন, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আনিস-উজ-জামান, মুন্সীগঞ্জ পৌর মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব, সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মতিউল ইসলাম হিরু, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক দুই সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন ও মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল, বর্তমান সভাপতি রাসেল মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক ভবতোষ চৌধুরী নুপুর, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমর ঘোষ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট অজয় চক্রবর্তী ও সহ-সভাপতি অভিজিৎ দাস ববি প্রমুখ।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর