April 6, 2026, 10:55 pm

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

দাপ্তরিক কাজ চলছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে খুলনা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের

খুলনা প্রতিনিধিঃ

mostbet
ছাদ থেকে ভেঙে ভেঙে পড়ছে ইটের টুকরো। এর থেকে রক্ষা পেতে উপরে টাঙানো হয়েছে নেটের জাল। দরজা, জানালাও অনেকটা জরাজীর্ণ। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে এমন বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে খুলনা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের ভবন। তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনে চলছে দাপ্তরিক কাজকর্ম। ফলে প্রায়শই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ না নিলে ভবনটিতে প্রাণহানিসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।গত সোমবারও অফিস।সে দাপ্তরিক কাজ করার সময় ভবনের ছাদ ভেঙে কামনাশীষ নামের এক কর্মচারী আহত হয়েছেন। ফলে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অফিসে আসা সেবা প্রত্যাশী জনসাধারণ। সংশ্লিষ্ট কার্যালয় সূত্র জানায়, জমি রেজিস্ট্রেশন ও আনুষঙ্গিক কাজের জন্য নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ নগর ভবনের পাশে স্বাধীনতার আগে বহু কক্ষ বিশিষ্ট জেলা ভূমি রেজিস্ট্রার কার্যালয় নির্মাণ করা হয়। সেই থেকে এই কার্যালয় থেকে খুলনা জেলার বাসিন্দারা রেজিস্ট্রি ও ভূমি সংক্রান্ত সকল জটিলতা নিরসনে সেবা গ্রহণ করে থাকেন। এই কার্যালয়ে দৈনন্দিন সেবা প্রদানের জন্য কর্মরত রয়েছেন অন্তত দেড় শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী। এছাড়া ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা ও নানা প্রয়োজনে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আসা-যাওয়া করে এ অফিসে।রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ও সেবা প্রত্যাশীরা জানান, ছাদ থেকে ইটের খোয়া ভেঙে ভেঙে পড়ছে। ছাদের বেশিরভাগ জায়গায় রড বেরিয়ে গেছে। নেটের জাল দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও সেটি সম্ভব হচ্ছে না। জমাট বাঁধানো কংক্রিট নেটের জাল ছিড়ে পড়ছে। এঅবস্থায় ভবনের মধ্যে কাজ করা মুশকিল হয়ে পড়েছে।খুলনা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের রেজিস্ট্রার বীর জ্যোতি চাকমা বলেন, ভবনে দেড় লাখ বালাম বইসহ নানা নথিপত্র ও আসবাবপত্র রয়েছে। আর দৈনন্দিন কাজ কর্ম করার জন্য এতো বড় ভবনও অন্যত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে এ ভবনে কাজ চালাতে হচ্ছে। এছাড়া পুরাতন ভবন ভেঙে অচিরেই চারতলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। গণপূর্ত বিভাগ ভবন নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করবে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১মার্চ২০১৮/ইকবাল
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর