April 4, 2026, 8:56 pm

সংবাদ শিরোনাম
হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বিকল্প নেই পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে শতাধিক গাছ নষ্টের অভিযোগ

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মাদারীপুরের বেড়েছে কামারের ব্যস্ততা

অপি মুন্সী :শিবচর(মাদারীপুর)প্রতিনিধি

mostbet

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদ-উল-আজহা। আগামীকাল মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। এই ঈদে কুরবানি সামনে রেখে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার লোহা শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে তাদের ব্যস্ততা। কুরবানির ঈদে গরু, ছাগল, মহিষ জবাই ও গোশত কাটতে ব্যবহৃত হয় কামারদের তৈরি দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি। তবে কয়লার মূল্য ও মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ব্যস্ত সময়েও হাসি নেই কামারিদের মুখে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শিবচর, পাঁচ্চর, মাদবরের চর, চান্দের চর বাজার বিভিন্ন কামাররা বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন। হাপর বা জাতি টানছে একজন। এর বাতাসে জ্বলছে কয়লা, সেই কয়লায় পুড়ছে লোহা। সেই দগদগে লাল লোহাকে পিটিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ছুরি, চাপাতি।

ক্রেতাদের অভিযোগ, ঈদ উপলক্ষে দা, চাপাতি ও ছুরির দাম বেশি নেওয়া হয়। ছুরি শান দেওয়ার জন্য পঞ্চাশ টাকা থেকে শুরু করে দেড়’শ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।৷

ক্রেতারা বলেন, ‘আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ। গরু ও ছাগল জবাই দিতে এবং মাংস কাটতে দা, বটি, চাকু ও ছুরির প্রয়োজন। তাই বাজারে দা, বটি ও ছুরি কিনতে এসেছি। তবে গত বছরে এসব জিনিসের দাম খানিকটা বেশি। দাম বেশি হলেও কিনতে তো হবেই।

প্রশান্ত কর্মকার, বিরেন কর্মকার,পরিতোষ কর্মকারসহ বেশ কয়েকজন কামার শিল্পী জানান, বলেন, সারাবছরই তারা দা, বটি, চাকু, ছুরি বিক্রি করেন। কিন্তু কোরবানির মৌসুমেই এসব সরঞ্জামের কেনাবেচার ধুম পড়ে। এবারও ভালো বিক্রি হচ্ছে। তবে কয়লা ও লোহার দাম খানিকটা বেড়ে যাওয়ায় কামারদের কাছ থেকে খানিকটা বেশি দামে এসব জিনিসপত্র কিনতে হচ্ছে। যার ফলে কিছুটা বেশি দামে আমাদের বিক্রি করতে হচ্ছে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর