মৃতের ছোট ভাই রিফাত জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে কাকন বাড়ির পাশে
চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছেলেন। এ সময় একদল অজ্ঞত দুর্বৃত্ত তাকে
এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০
শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে জুরুরি বিভাগের ডাক্তার ১১টা
৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি তাজুল ইসলাম, আব্দুর রহমান কাকনও বিতর্কিত নেতা।
তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। কোনো পক্ষ পূর্ব শত্রুতার জেরধরে
তাকে হত্যা করতে পারে। ঘটনার পর আসামীদের আটকের জন্য পুলিশের একাধিক টিক
কাজ করছে।