April 13, 2026, 10:20 am

সংবাদ শিরোনাম
রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ

৫ সপ্তাহ সংজ্ঞাহীন ছিলেন মহামারী মরন ব্যাধী করোনাজয়ী আসা নূর হোসেন এক মাসের কোনো স্মৃতি তার মাথায় নেই!

ডিটেকটিভ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

mostbet

ইংল্যান্ডে করোনাভাইরাস রোধে লকডাউন শুরুর আগে গত মার্চ মাসে ব্র্যাডফোর্ড শহরে মারা গিয়েছিলেন ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তান থেকে ব্রিটেনে আসা নূর হোসেন।তার জানাজায় সমাগম হয়েছিল বহুলোকের। দুঃখজনকভাবে সেই জানাজায় আসা অনেকের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঘটে। নূর হোসেনের পরিবারের তিনজন মারা যান এবং গুরুতর অসুস্থ হলেও শেষ পর্যন্ত বেঁচে যান নূর হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন। খবর বিবিসির।স্থানীয় হাসপাতালের ডাক্তার জনরাইট গণমাধ্যমকে বলেন, পাঁচ সপ্তাহ ধরে সংজ্ঞাহীন ছিলেন মোহাম্মদ হোসেন।মোহাম্মদ হোসেনের বয়স ৫১, তিনি পেশায় একজন আইনজীবী। পাঁচ সপ্তাহ সংজ্ঞাহীন থাকার পর যখন তার জ্ঞান ফিরল, তখন তার মানসিক অবস্থা একেবারেই তালগোল পাকানো ছিল।তার চারপাশে মাস্ক, জীবাণু-প্রতিরোধী ঢাকনা, আর গাউনপরা লোকজন দেখে নিশ্চয়ই তার মনে হচ্ছিল তিনি এক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর জগতের মধ্যে এসে পড়েছেন।তিনি মনেই করতে পারছিলেন না– কীভাবে তিনি এখানে এলেন। পুরো এপ্রিল মাসটার কোনো স্মৃতি তার মাথায়ই ছিল না।ব্র্যাডফোর্ডে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর আমাদের হাসপাতালের আইসিইউতে নিতে হয় ৪৯ জনকে। তার মধ্যে অধিকাংশকেই ভেন্টিলেশন দিয়ে রাখতে হয়।এর মধ্যে সাতজন এখন পর্যন্ত ভেন্টিলেশন থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। মোহাম্মদ হোসেন তাদের মধ্যে একজন।হোসেন বলেন, তাকে যখন অচেতন করে রাখা হয়েছিল, তখন তিনি স্বপ্ন দেখছিলেন যে তার পরিবারের ওপর একটা সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। সংজ্ঞা ফিরে আসার পর তিনি অস্থির হয়ে উঠেছিলেন।আমার মনে একটা সন্দেহ বাতিক কাজ করছিল। মনে হচ্ছিল- এই লোকগুলো আমাকে একটা ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছে। কী হচ্ছে? এসবের মানে কী?সংকটজনক অবস্থা থেকে চেতনা ফিরে আসার পর এ ধরনের বিভ্রান্ত মানসিক অবস্থা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়– বলছিলেন ব্র্যাডফোর্ড হাসপাতালের আইসিইউ কনসালট্যান্ট ডা. ডেবি হর্নার।তাদের চারপাশে কী হচ্ছে তা নিয়ে রোগীর মধ্যে নানা রকম সন্দেহ-উদ্বেগ দেখা দেয়। খুবই স্বাভাবিক। যদি রোগী জেগে উঠে জানতে পারে যে এর মধ্যে এক মাস পার হয়ে গেছে এবং তার চারপাশে অদ্ভুত পোশাক পরা কিছু লোক ঘোরাঘুরি করছেন– তখন এটি হতেই পারে।অনেক সময় রোগীদের এ ব্যাপারে ভেন্টিলেটর দেয়ার আগেই জানিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু মোহাম্মদের ক্ষেত্রে তা সম্ভব ছিল না। তার অবস্থা অত্যন্ত দ্রুত খারাপ হয়ে পড়েছিল।তিনি অসুস্থ হন মার্চ মাসে, তার বাবা নূর হোসেনের জানাজার পরই। মৃত্যুর সময় নূর হোসেনের বয়স ছিল ৯০-এর কোঠায়। তিনি ব্রিটেনে এসেছিলেন ১৯৬০-এর দশকে, ব্র্যাডফোর্ডে কারখানায় কাজ করতেন তিনি। তার পরিবারকে ব্রিটেনেই বড় করেছেন তিনি।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৯ মে ২০২০/ইকবাল

 

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর