April 10, 2026, 4:45 am

সংবাদ শিরোনাম
সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ

দুঃসময়ে সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ান -আবু তালহা তোফায়েল

আবু তালহা তোফায়েল,গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধিঃ

mostbet

করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) সাধারণ ছুটিতে পুরো দেশ শুধু নয় গোটা বিশ্ববাসী। কর্মহীন হয়ে পড়ছে প্রায় সব শ্রেণী পেশার মানুষ। আতঙ্ক আর উৎকন্ঠায় দিন কাটছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের।
হতদরিদ্ররা সরকারি বেসরকারি অনুদান কমবেশি পাচ্ছে। তাদের জন্য বাংলাদেশ সরকার বিভিন্নভাবে চাউল ও প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠন, সমাজের বিত্তবানরাও এগিয়ে এসেছে। ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে তাদেরকে।
সমাজের মধ্যবিত্তরা জীবিকা নির্বাহে বিপাকে পড়ছে। না পারছে কাউকে বলতে, না পারছে সইতে। চক্ষুলজ্জায় ত্রাণ সহায়তাও নিতে পারছেনা; এদিকে পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। এসব ভেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভালো ১টা উদ্যোগ নিয়েছেন। যারা হাত পাততে পারেনা, তাদের ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে। অবশ্যই এই উদ্যোগ প্রসংশার দাবীদার।তবে কী সাংবাদিকদের নিয়ে কখনো ভেবেছ? এখন তো প্রায়ই পত্রিকার প্রিন্ট ভার্সন বন্ধ হয়ে গেছে। অনলাইনে খবরের পাঠক সংখ্যা বেড়ে গেছে। ইনকাম সোর্স বন্ধ হয়ে গেছে।
সাংবাদিকরা কিন্তু সমাজের সম্মানি ব্যক্তি। তারা কখনো ত্রাণের চাল ও খাদ্য সামগ্রী ভোগ করতে পারবেনা। এটা আদৌ সম্ভব না। তাদের জন্য কিন্তু সরকারি কোনো সম্মানি এখন পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়নি। দুদিন পূর্বে একটা বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, এই কঠিন মুহুর্তে সাংবাদিকদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হোক। কিন্তু এখনো এই বিবৃতি কোনো আমলে নেওয়া হয়নি।
আপনারা যারা ত্রাণ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। তারা হাজারবার বললেও সাংবাদিকরা ত্রাণের ১টা প্যাকেট নিবে না। কারণ সাংবাদিকতার রোলসে এগুলো পড়েনা। সাংবাদিকরা যেভাবে সমাজের সম্মানি ব্যক্তি, (প্রকৃত সাংবাদিকরা) ঠিক সেভাবে তারা সম্মান বাঁচিয়ে চলবে। জীবিকা নির্বাহে যতই হিমশিম খায়না কেনো, তবুও কারো কাছে হাত পাতবে না।
তাই যারা হাজার হাজার টাকার ত্রাণ বিতরণ করেন, তারা কী এই বিতরণের সংবাদ প্রচারের জন্য ১০০০/৫০০ টাকা আলাদা করে রাখেন না। আপনি একবার ভাবুন। তার পেশা সাংবাদিকতা। আপনার সংবাদ প্রচার করে সে জীবনে কখনো আপনাকে বলবে না আমার সম্মানিটা দিন। আপনি বিবেককে প্রশ্ন করুন, সেও ১টা পরিবার চালিয়ে নিচ্ছে, আমার ত্রাণের ১টা প্যাকেট তো তাকে দিতে পারবোনা। তার প্রাপ্য অধিকারটুকু আমি আদায় করি। এইটুকু যদি না করতে পারেন, তাহলে ভেবে নিন যে সমাজের সম্মানি ব্যক্তিকে আপনি খুন করেছেন। আপনি তাদেরকে বাঁচান, সদয় হোন, সমাজের সম্মানি ব্যক্তিবর্গদের সম্মান করুন। তাদেরকে সম্মান দিলে নিশ্চয় আল্লাহও আপনার সম্মানকে বৃদ্ধি করবে।বিঃদ্রঃ- লেখাটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানকে কটাক্ষ করে নয়। বৃহৎ স্বার্থে, নিরবে কান্না করা অসহায় সাংবাদিকদের হৃদয়ের ব্যথিত কথাগুলো লেখা।লেখক পরিচিতি: সম্পাদক- সীমান্তের আহ্বান

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২২ এপ্রিল ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর