April 16, 2026, 1:43 pm

সংবাদ শিরোনাম
অধিকার না ব্যবসা? ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের অন্ধকার অর্থনীতি রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা

মৌলভীবাজারে কুশিয়ারা নদী ভাঙ্গনের ১৫টি ঘর বিলীন:

মনজু বিজয় চৌধুরী,মৌলভীবাজার প্রতিনিধ

mostbet

মৌলভীবাজারের কুশিয়ারা নদী গর্ভে চলে গেছে গ্রামের ১৫টি ঘর বিলীন হয়ে প্রায় দেড়শো পরিবার ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন। মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ ইউনিয়নের ছিক্কাগাঁও গ্রামের প্রায় সিংহভাগ জায়গা নদীতে ধসে পড়েছে। কিছু ঘরবাড়ি মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। গ্রামের প্রায় দেড়শ পরিবার দিন মজুর নিঃস্ব হয়ে পথে বসেছেন। অধিকাংশ মানুষ খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছেন। এদিকে নদী ভাঙ্গনের ঘটনায় দেড় মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসন কিংবা বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সরেজমিন পরিদর্শন ও বাড়ি হারা নিঃস্ব পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়নি বলে জানিছেন ক্ষতিগ্রস্থরা।

কুশিয়ারা পাড়ে গেলে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তারা সবাই দিনমজুরের কাজ করেন পাশের কালারবাজারে। ঘর হারিয়ে পাশের খোলা আকাশের নিচে খড়কোটো দিয়ে বসবাস করছেন তারা। ঘর হারিয়ে নির্ঘুম রাত পাড় করা প্রত্যেক মানুষের চোখে দেখা যায় বেদনা ছাঁপ। এছাড়াও নদী পাড়ের অন্যান্য এলাকা মিলে নদী ভাঙ্গনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান হবে প্রায় ২৫ কোটি টাকার। কুশিয়ারা নদীর জেলার শেরপুরসহ অন্যান্য এলাকায় নদী ভাঙ্গন দেখা দিলে তড়িগড়ি করে পাউবো জিও ব্যাগ কিংবা ব্লকের আওতায় এনে ক্ষতিগ্রস্থদেও দুশ্চিন্তা মুক্ত করেন। ছিক্কাগাও ভাঙ্গনের ৪৫দিন অতিবাহিত হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড এগিয়ে না আসায় স্থানীয়রা কঠোর সমালোচনা করেছেন।

জানা যায়, উত্তরভাগ ইউনিয়নের জুগিকোনা,কেশরপাড়া,সুনামপুর, উমরপুর, বেড়কুড়ি ও শাহাপুর গ্রামের পাড় ভেঙ্গে আরও ৫০টির মত ঘর তলিয়ে গেছে। তলিয়ে যাওয়া জমি বাড়ি-ঘরসহ সবমিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ২৫ কোটি টাকা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা। ছিক্কাগাঁও গ্রামের জমিসহ তলিয়ে যাওয়া ঘর-বাড়ির ক্ষয়ক্ষতির পরিমান হবে প্রায় ১ কোটি টাকার।

নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ আছমা বেগম জানান “আমরা দিন আনি দিন খাই” । “এমতাবস্থায় বাড়তি জমি কিনে ঘর বানিয়ে বসবাস করার মত আমাদের সম্বল নাই”।
ভাঙ্গন কবলিত ছিক্কাগাঁও গ্রামের এনামুল হক, তকবির মিয়া,সেলিনা বেগম ও বলেন, মাথা গোজার একমাত্র সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে বাস করছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কারও সহযোগীতা পাইনি। আমরা গরীব হয়ে কি অপরাধ করেছি।

আরকান আলী বলেন, যতটুকু ভেঙ্গেছে ওই জায়গাসহ যদি এখনি পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্লকের আওতায় নিয়ে না আসে তবে গ্রামের আরও বেশ কটি জায়গা ভেঙ্গে নদীতে তলিয়ে যাবে।

মৌলভীবাাজর পানি উন্নয়ন বোর্ডেও নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ খালেদ বিন অলীদ বলেন, কালারবাজারসহ ওই জায়গা ভেঙ্গে যাবার বিষয়টি জেনেছি। নদী ভাঙ্গন কবলিত জায়গা ব্লকের আওতায় নিয়ে আসতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর