March 30, 2026, 8:29 pm

সংবাদ শিরোনাম
দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বিকল্প নেই পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে শতাধিক গাছ নষ্টের অভিযোগ এক-এগারোর ছায়া: বন্ধ দরজার ভেতর থেকে উঠে আসা নাম—মাসুদ রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন?

ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে কুড়িগ্রামে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা আরও কমে বৃদ্ধি পাচ্ছে শীতের তীব্রতা। শীতের সাথে ঘন কুয়াশায় জবুথবু হয়ে পড়েছে রাস্তাঘাট ও প্রকৃতি। গত এক সপ্তাহ ধরে ১৭ ডিগ্রি থেকে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করছে তাপমাত্রা।

আজ রোববার (২৪ নভেম্বর) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

দিনের বেলা তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও মধ্যে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঠান্ডা অনুভূত হতে থাকে। এ সময় ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে বিস্তীর্ণ এলাকা।

শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলো হেড-লাইট জ্বালিয়ে বিলম্বে যাতায়াত করছে।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

অন্যদিকে, কুয়াশা ও শীতের কারণে ক্ষেতমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষরা পড়েছেন বিপাকে । তারা সময় মতো কাজে যেতে পারছে না। অপর দিকে, শীতের কবলে পড়েছে নদ-নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের হত দরিদ্র মানুষগুলো।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের আমিনুল ইসলাম (৬০) বলেন, ৫-৬ দিন থেকে শীত ও ঠান্ডা অনেক বারছে। রাতে বৃষ্টির মতো পরতে থাকে কুয়াশা। ঠান্ডা ও শীতের কারণে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তার পরেও সকালে কাজের জন্য বাহির হয়েছি। কাজ না করলে তো আর সংসার চলবে না।

একই ইউনিয়নের দিনমজুর আশাদুল মিয়া(৪০) বলেন, আজ খুব কুয়াশা পড়ছে। মানুষ ঘুম থেকে না উঠতেই আমরা কাজের জন্য বাহির হয়েছি। যতই শীত বা ঠান্ডা হোক না কেন, কাজ ছাড়া কোন উপায় নাই আমাদের।

কুড়িগ্রাম আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, চলতি মাসের শেষে অথবা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হিমেল বাতাস বইতে পারে। তখন ঠান্ডার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর