April 7, 2026, 12:56 pm

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীতে বিএনপি কার্যালয় হামলা ভাঙচুর, আওয়ামী লীগের দাবী অভ্যন্তরীন কোন্দল

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

mostbet

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে এ হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় সন্ত্রাসীরা বিএনপি  কার্যালয়ের টেবিল-চেয়ারসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভেঙে চুরমার করে। উপজেলা বিএনপি এ ঘটনার জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগ দাবী করছেন অভ্যন্তরীন কোন্দলের কারনে এমন হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এর দ্বায় চাপানো হচ্ছে আওয়ামী লীগের উপর।

উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ মামুন শিকদার বলেন, ‘বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর করার পর তার নিজের ফেরিঘাট এলাকার ঠিকাদারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও ভাঙচুর চালায় সন্ত্রাসীরা। এতে তার অফিসের আসবাবপত্র চুরমার হয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. হাফিজুর রহমান জানান, যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ৫ নভেম্বর বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উপজেলা যুবদলের নেতা-কর্মীরা আজ বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে সমবেত হয়েছিল। সভা শেষ করে যুবদলের নেতা-কর্মীরা সবাই যে যার মতো করে চলে যায়। এরপরই হামলার ঘটনা ঘটে। ৫০-৬০ জনের সন্ত্রাসী গ্রুপটির হাতে বগি, রামদা, লাঠিসোটা ছিল। সন্ত্রাসী হামলায় দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল, টিভিসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রায় আধা ঘন্টা ধরে হামলা-ভাঙচুর চলে এমন অভিযোগ করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হাজী হুমায়ুন সিকদার বলেন, ‘এ হামলার জন্য আমরা আওয়ামী লীগকেই দায়ী করবো। এর কারণ হলো ওরা একদিকে হামলা করেছে, আরেক দিকে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়েছে। পুরো কার্যালয়টি ওরা ভেঙে লন্ড ভন্ড করে দিয়েছে। হামলা-ভাঙচুরের সময় বিএনপি নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেনসহ উপজেলা পর্যায়ের জেষ্ঠ্য নেতৃবৃন্দের নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। এভাবে বার বার হামলা হয় একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে। অথচ স্থানীয় আওয়ামী লীগের জেষ্ঠ্য নেতারা তা দেখছেন না। এটা দুঃখজনক। আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।’
এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব তালুকদার বলেন, ‘কে-কখন এ হামলা করেছে, তা আমরা কিছুই জানিনা। এটি তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর দ্বায়ভার চাপিয়ে দেয়া হছে আওয়ামী লীগের উপর। তিনি বলেন, এঘটনা বিএনপি রাজনৈতিক ইস্যু সস্টির লক্ষে নিজেরাই পরিকল্পিত ভাবেেএ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম বলেন, ‘ হামলা-ভাঙচুর হয়েছে কীনা, তা এ মুহুর্তে বলতে পারছিনা। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর