৫৮ সেকেন্ডে ডেনমার্কের গোল, ৪ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার
ডিটেকটিভ স্পোর্টস ডেস্ক
৪ মিনিটের মধ্যেই ২ গোল! টানটান উত্তেজনার আভাস দিয়ে শুরু হলো ক্রোয়েশিয়া ও ডেনমার্কের শেষ ষোলোর লড়াই। নিঝনি নোভগোরদে মাত্র ৫৮ সেকেন্ডে গোল করে ডেনিসরা। ৩ মিনিট পরই সমতা ফিরিয়েছে ক্রোয়েশিয়া।
ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজতে না বাজতে গোল উদযাপনে মেতেছিল ডেনমার্ক। জোনাস নুডসেনের লম্বা থ্রো থেকে ক্রোয়েটদের ডিবক্সের বল পান থোমাস ডিলানে। বাঁ দিকে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। মাতিয়াস জর্গেনসেন ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার দোমাগো ভিদার পায়ের নিচ দিয়ে পাঠিয়ে ক্রোয়েট গোলরক্ষক দানিয়েল সুবাসিচকে পরাস্ত করেন। ২০১৪ সালে ঘানার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিন্ট ডেম্পসে ২৯ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন। এদিন দেখা গেল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দ্রুততম গোলের।
তবে ডেনিসদের বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে দেয়নি ক্রোয়েশিয়া। ৪ মিনিটে ক্রিস্টেনসেন বল বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে বাঁ পোস্টে দাঁড়ানো মারিও মানজুকিচ সমতা ফেরানো গোল করেন।
বিশ্বকাপে এনিয়ে চতুর্থবার চার মিনিটের মধ্যে দুই গোল হলো। আর দুই দলের চার মিনিটে দুই গোল দেওয়ার ঘটনা ঘটল কেবল দ্বিতীয়বার।
১৯৯৮ সালের সেরা সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে কে পারবে- ক্রোয়েশিয়া নাকি ডেনমার্ক? এই প্রশ্নের উত্তর মেলাতে নিঝনি নোভগোরদের মুখোমুখি দুই ইউরোপিয়ান দল। শেষ ষোলোর চতুর্থ ম্যাচে মাঠে নেমেছে ক্রোয়েট ও ডেনিসরা।
আইসল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে বিশ্রামে থাকা তারকাদের একাদশে রেখে শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে ক্রোয়েশিয়া। মাঝমাঠে অধিনায়ক লুকা মদরিচের সঙ্গে ফিরেছেন ইভান রাকিতিচ। আক্রমণভাগে আছেন মারিও মানজুকিচ। ২০ বছর আগের বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া দলটিকে অনুসরণ করতে মুখিয়ে আছে ক্রোয়েটরা।
অন্যদিকে ডেনমার্কের প্রাণভোমরা ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন আছেন একাদশে, একমাত্র যিনি দলের হয়ে একাধিকবার লক্ষ্যে শট নিয়েছেন। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের পর প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য লড়বে ডেনিসরা।