যশোর প্রতিনিধিঃ
যশোরের মণিরামপুরে সন্ত্রাসীদের দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে দুই যুবক নিহত হয়েছে। রোববার ভোরে যশোর-মণিরামপুর সড়কের ছাতিয়ানতলা এলাকা থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। বিকাল ৫টা পর্যন্ত তাদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। অপরদিকে, বাঘারপাড়ায় মহিদুল ইসলাম (২৬) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার ফুফুর দেবর।
যশোরের মণিরামপুর থানার ওসি মোকাররম হোসেন জানান, রোববার ভোরে যশোর-মণিরামপুর সড়কের কুয়াদা বাজার ও বেগারিতলার মাঝামাঝি ছাতিয়ানতলা এলাকায় দু’দল সন্ত্রাসী বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে বলে পুলিশ খবর পায়। এখবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’টি গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখে। তাদের বয়স আনুমানিক ৩০ বছরের মত। লাশ দু’টি উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে লাশ ছাড়া অন্য কিছু উদ্ধার হয়নি। এছাড়া স্থানীয়রা নিহত দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেননি। সন্ত্রাসীরা বহিরাগত বলে পুলিশ ধারণা করছে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নিহতদের একজনের খালি গা, পরনে লুঙ্গি ও কোমরে গামছা ছিল। অপরজনের পরনে নীল রঙের স্যান্ডো গেঞ্জি ও ঢোলা প্যান্ট রয়েছে। তাদের একজনের মাথায় একটি ও অপরজনের মাথায় দুটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। গুলিতে তাদের চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে।
এদিকে, বাঘারপাড়া উপজেলার ভূলট গ্রামে মহিদুল ইসলাম নামে এক যুবককে শনিবার এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। রোববার সকালে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত মহিদুল মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার কাতলী গ্রামের গাজী মোস্তফার ছেলে।
মহিদুলের বোন জামাই রবিউল ইসলাম জানান, শনিবার সকালে মহিদুলের ফুফু নাছিমাকে দেবর মিজান মারধর করে। ঘটনাটি শুনে বাঘারপাড়ার ভূলট গ্রামে যায় মহিদুল। সেখানে বাকবিত-ার এক পর্যায়ে নাছিমার দেবর মিজানসহ ১০/১২জন মিলে নিহত মহিদুল ইসলামকে কুপিয়ে পিটিয়ে জখম করে। পরে আহত মহিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে তার মৃত্যু হয়।
বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল আলম বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৪জুন ২০১৮/ইকবাল