রাশেদুল ইসলাম পাবনা সদর প্রতিনিধিঃ
মামলার বিবরনে জানা যায়, সাঁথিয়া উপজেলার সোনাতলা হাফেজিয়া মাদ্রাসার আদায়কারী আ. আলীম গত ২০ এপ্রিল পার্শ্ববতী সোনাতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ফুসলিয়ে নিজ কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি ধর্ষিতার বাবা- মা জানলে মঙ্গলবার সকালে স্কুল ছাত্রীর বাবা- মা বাদি হয়ে সাঁথিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষক আ. আলিমকে আটক করে। ধর্ষিত ছাত্রীর ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য পাবনা প্রেরণ করা হয়েছে।
অপর দিকে উপজেলার পুন্ডুরিয়া প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক ছাবিলাকে বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘদিন দরে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে পুন্ডুরিয়া গ্রামের হেলো দফাদারের ছেলে ও বেড়া উপজেলার পুন্ডুরিয়া মাদ্রাসা সুপার শাখাওয়াত হোসেন বিল্লালির বিরুদ্ধে।
অভিযোগে জানা যায়, মাদ্রাসার সুপার বিল্লালিকে ধার্মিক ও ভালো মানুষ ভেবে ওই ভিক্ষুক ভিক্ষার টাকা জমা রাখত। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে মন দেওয়া নেওয়া হতে থাকে। এরই মধ্যে সুপার প্রস্তাব রাখেন ৫ লাখ টাকা জমা হলে সে ছাবিলাকে বিয়ে করবে। এ প্রস্তাবে ছাবিলা ২০ বছর ধরে প্রতিদিনের ভিক্ষার টাকা বিল্লালির নিকট জমা রাখেন এবং দৈহিক সম্পর্ক করেন।
পা প্রতিবন্ধী বিয়ের কথা বললে সুপার জানান, মন থেকে বিয়ে করলেই হয়। ছাবিলা তা বুঝতে না চাইলে তাকে ভয় দেখিয়ে চুপ রাখত। সম্প্রতি সুপার তার এক আত্মীয়ের বাড়ীতে নিয়ে ছাবিলাকে ধর্ষণের সময় লোকজন তাদের আটক করলে সকল তথ্য ফাঁস করে দেন প্রতিবন্ধী। এ বিষয়ে ছাবিলা বাদি হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে সাথিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।
থানার ওসি তদন্ত আ. মজিদ জানান, স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের মামলা হয়েছে। আসামিকে আমরা আটক করেছি। প্রতিবন্ধী ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২জুন ২০১৮/ইকবাল