মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে নিহত শতাধিক
ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক
মাদক নির্মূলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গত সোমবার রাতে আরও ১২ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্য কুমিল্লায় দুজন, কুষ্টিয়ায় দুজন, যশোরে দুজন, ঢাকায় একজন, ময়মনসিংহে একজন, সাতক্ষীরায় একজন, বরগুনায় একজন, ঠাকুরগাঁওয়ে একজন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন মারা গেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অভিযান শুরুর পর এ নিয়ে গত ১০ দিনে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৩ জন। নিহতরা সবাই মাদক কেনা-বেচায় জড়িত বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। তবে তাদের বক্তব্য ও ঘটনার বিবরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। শুরুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা পড়ার কথা জানানো হলেও এখন গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধারের খবর দিয়ে বলা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ কোন্দলে গোলাগুলিতে মারা পড়ছেন তারা। সমালোচনার মধ্যেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, তারা মাদকের বিরুদ্ধে ‘অলআউট’ যুদ্ধে নেমেছেন, নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
ঢাকা: দক্ষিণখানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। ঢকা মহানগর পুলিশের উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নূরুল আলম বলছেন, গত সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণখানে আশিয়ান সিটির মাঠে গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন ওরফে খুকু সুমন (৩৫) ওই এলাকার একজন ‘চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা’ এবং তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনের চারটি মামলা রয়েছে বলে এ পুলিশ কর্মকর্তার দাবি। তিনি বলেন, মাদকের একটি চালান আসার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল রাতে আশিয়ান সিটির মাঠে অভিযানে যায়। পুলিশ সেখানে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের দিকে গুলি করে। পুলিশও তখন পাল্টা গুলি চালায়। কিছুক্ষণ পর গুলি থামলে ঘটনাস্থলে একজনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা নিহত ওই ব্যক্তিকে ‘খুকু সুমন’ হিসেবে শনাক্ত করেন বলে অতিরিক্ত উপকমিশনার নূরুল আলমের ভাষ্য। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি ককটেল এবং এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ অভিযানে দুইজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং তাদের চিকিৎসার জন্য টঙ্গী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
কুমিল্লা: মুরাদনগরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই ‘মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত হয়েছেন। তাঁরা হলেন বাতেন ও রিটন ওরফে লিটন। গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুরাদনগরের গুঞ্জর বেড়িবাঁধের পাশে একটি ইট ভাটার সামনে থেকে দুজনকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম ও মুরাদনগর থানার ওসি মঞ্জুর আলমের নেতৃত্বে বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওত পেতে থাকা মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি করে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষের গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে লিটন ও বাতেন আহত হয়। পুলিশ দুজনকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারা মারা যায়। তাদের সহযোগীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মুরাদনগর থানা পুলিশের এসআই মোজাম্মেল, এসআই মাসুদুর রহমান ও এসআই রোকন আহত হন। পুলিশ জানায়, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল, একটি পাইপগান ও একটি কার্তুজ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, নিহত মাদক ব্যবসায়ী বাতেনের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় আটটি ও লিটনের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে। এ নিয়ে সাত দিনে কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১০ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হলো।
যশোর: গত সোমবার রাতে যশোরে গুলিবিদ্ধ দুটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা মাদক ব্যবসায়ী বলে পুলিশ দাবি করেছে। কোতোয়ালি থানার ওসি আজমল হুদা জানান, শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলিতে নিহত হন ওই এলাকার মানিক (২৭) ও সদর উপজেলার ম-লগাতি গ্রামের আহসান আলী (৫৬)। নিহত দুজনই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বলে জানান ওসি। তিনি বলেন, মানিকের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় নয়টি ও আহসান আলীর বিরুদ্ধে ১১টি মাদক মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশি পিস্তল, দুটি গুলি ও পাঁচটি গুলির খোসা এবং ৬০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এদিকে, এর আগে সদর উপজেলার নোঙ্গরপুর এলাকা থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আজমল হুদা জানান, একদল ডাকাত গাছ কেটে সড়ক ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় গ্রামবাসী তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় ডাকাতদের একজনকে ধরে ফেলে গণপিটুনি দেয় তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি জানান, গণপিটুনিতে নিহত ব্যক্তির নাম বুলি (৫৬)। তার বাড়ি সদর উপজেলার হাশিমপুর গ্রামে। তার বিরুদ্ধে ১৪টি ডাকাতির মামলা রয়েছে বলেও ওসি জানান। যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত ডাক্তার শফিউল্লাহ সবুজ বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই তিন ব্যক্তির মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্র জানায়, রায়পাড়ায় নিহত দুই ব্যক্তির মাথার খুলি গুলিতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।
কুষ্টিয়া: দৌলতপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই ‘মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত হয়েছেন। তাঁরা হলেন মোকাদ্দেশ হোসেন (৪২) ও ফজলুর রহমান ওরফে টাইটেল (৪৮)। পুলিশের দাবি, এ ঘটনায় তাদের তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে। গত সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের শেয়ালা বটতলা মাঠে এ ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে। দৌলতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী জানান, মাদকদ্রব্য কেনাবেচার জন্য একদল মাদক ব্যবসায়ী দৌলতপুর উপজেলার শেয়ালা বটতলা মাঠে অবস্থান করছিল। এ সংবাদ পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশ গুলিবিদ্ধ দুজনকে উদ্ধার করে দৌলতপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানায়, মোকাদ্দেশ হোসেন ও ফজলুর রহমান ওরফে টাইটেল পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। এদের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইয়ের আটটি করে মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আলম, আবদুর রাজ্জাক ও কনস্টেবল সুজিত কুমার আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, পাঁচটি গুলি, একটি পিস্তলের ম্যাগাজিন ও ২৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে।
সাতক্ষীরা: কলারোয়ার চুকনা এলাকায় আনিসুর রহমান আনিস (৪০) নামে একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া গেছে। তিনি পাকুড়িয়া গ্রামের সুরোত আলীর ছেলে। কলারোয়া থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ জানিয়েছেন, রাত সোয়া ২টায় দেয়াড়া ইউনিয়নের পিসলাপোলের মাঠে মাদক ভাগাভাগি নিয়ে চোরাচালানিদের দুটি পক্ষের গোলাগুলির খবর আসে তার কাছে। খবর পেয়ে খোর্দ পুলিশ ক্যাম্পের এসআই সিরাজুল ইসলাম একদল পুলিশ সদস্য নিয়ে সেখানে পৌঁছে তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। কিছুক্ষণ পর গোলাগুলি থেমে গেলে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। খোর্দ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম জানান, লাশের কাছ একটি ওয়ান শুটার গান, ২ রাউন্ড গুলি, ৭০টি ইয়াবা পাওয়া গেছে। আনিসের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা জেলায় ১০টি মামলা রয়েছে বলে ওসি জানান। আনিসের স্ত্রী নাজমা বেগমের দাবি, তার স্বামীকে গত সোমবার সকালে বাড়ি থেকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে গিয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পরে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে। নাজমা বলেন, স্বামীকে তুলে নেওয়ার পর তিনি কলারোয়া থানা ও খোর্দ পুলিশ ক্যাম্পে খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাকে আটকের কথা স্বীকার করেনি। রাতে তিনি কলারোয়া থানায় জিডি করতে গেলেও পুলিশ তা নেয়নি। এ বিষয়ে ওসির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ সম্পর্কে কিছু জানি না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: আখাউড়া পৌর এলাকার খালাজোড়া এলাকায় জনি মিয়া (৩০) নামে একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতির অভিযোগে আটটি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। জনি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার খাইয়ার গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে। আখাউড়া থানার ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার বলেন, রাতে ডাকাতির মালামাল ও মাদক ব্যবসার বিরোধকে কেন্দ্র করে জনি ও তার সহযোগীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পৌঁছে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জনির লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে ১টি দেশীয় পাইপগান, ১টি কার্তুজ, ২টি ছোরা, ১টি চাপাতি উদ্ধারের কথাও জানান তিনি।
ময়মনসিংহ: পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মিজান (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও ডাকাত বলে পুলিশের দাবি। সোমাবার দিবাগত রাত সোয়া ২টায় ভালুকার পাড়াগাও চটনপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ভালুকা থানার ওসি (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ ও এএসআই শাহ আলম গুরুতর আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইন, তিনটি গুলির খোসা, একটি রামদা ও একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. আশিকুর রহমান রাতে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ওসি জানান, মাদক ভাগাভাগির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপসহ গুলি করে। আত্মরক্ষার জন্য পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে এলাকা তল্লাশির সময় মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি মো. মিজানকে (৪৫) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মিজানকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত মিজানের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র, ডাকাতিসহ আট/নয়টি মামলা আছে বলেও জানায় পুলিশ।
বরগুনা: বেতাগীতে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ফিরোজ মৃধা নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বেতাগী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ফিরোজের বিরুদ্ধে নয়টি মাদক মামলা রয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে। ভোররাতে কাজিরাবাদ ইউনিয়নের কুমড়াখালি এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয় বেতাগী থানার ওসি মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবার, একটি ওয়ান শুটার গান, রিভলভারের দুই রাউন্ড গুলি, বন্দুকের দুই রাউন্ড গুলি ও ২৪০টি ইয়াবা উদ্ধারে কথা জানিয়েছে র্যাব।
ঠাকুরগাঁও: হরিপুর উপজেলার আটঘুড়িয়া এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হারুন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি শীতলপুর গ্রামের প্রয়াত আবদুল আজিজের ছেলে। হরিপুর থানার ওসি রুহুল কুদ্দুস বলেন, ভোর রাতে আটঘুড়িয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় মাদক বিক্রেতারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। ঘটনাস্থল থেকে ১১০ বোতল ফেনসিডিল, চারটি কার্তুজের খোসা ও চারটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। ওসি বলেন, হারুন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এবং তার নামে বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৭টি মামলা রয়েছে।