February 10, 2026, 5:46 pm

সংবাদ শিরোনাম
যশোরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্র ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার বেনাপোলে বিজিবির বিশেষ অভিযানে পরিত্যক্ত বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার রংপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রায়হান সিরাজীর নির্বাচনী মহিলা সমাবেশ সড়কে নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন ঘোড়াঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা! চালকের সহকারী নিহত আহত চালক ভোট কারচুপির কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী ফলাফল একত্রীকরণের নতুন প্রক্রিয়া কারচুপির সুযোগ তৈরি করবে-বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ঋণের বোঝা, ক্ষমতার বলয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঋণগ্রহীতা প্রার্থীরা কি আইনের ঊর্ধ্বে? লক্ষ্মীপুরের বাক-প্রতিবন্ধী ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় একজন আসামি’কে কক্সবাজার হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি দেলবার ডাকাত (৭০)’কে গাজীপুরের কোনাবাড়ি থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

রাঙামাটিতে এবার তিন ইউপিডিএফ কর্মী খুন

রাঙামাটিতে এবার তিন ইউপিডিএফ কর্মী খুন

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

রাঙামাটিতে এবার একসঙ্গে খুন হলেন ইউপিডিএফের তিন কর্মী। ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এবং জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-এমএন লারমার) পাঁচ নেতা-কর্মী খুনের এক মাসের মধ্যে গতকাল সোমবার বাঘাইছড়ি উপজেলায় এই হত্যাকা- ঘটল। নিহত তিনজন হলেন- সুনীল চাকমা সনজিৎ (৩০), অটল চাকমা (৩০) ও স্মৃতি চাকমা। উপজেলার বাঘাইহাটের করল্যাছড়ি এলাকায় ভোর ৪টার দিকে তাদের হত্যা করা হয় বলে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) বাঘাইছড়ি উপজেলার সংগঠক জুয়েল চাকমা জানান। বাঘাইছড়ির সাজেক থানার ওসি নুরুল আনোয়ার বলেন, ভোরে তিনজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে তারা শুনেছেন। পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেছে। প্রসিত বিকাশ খিসা নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ তার দলের তিন কর্মীকে হত্যার জন্য ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) ও জেএসএসকে (এমএন লারমা) দায়ী করেছেন। ইউপিডিএফ প্রচার বিভাগের প্রধান নিরন চাকমা বলেন, জেএসএস (এমএন লারমা) ও ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) সন্ত্রাসীরা আমাদের তিন কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এর মুখপাত্র লিটন চাকমা বলেছেন, তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। গত ৩ মে নানিয়ারচর উপজেলায় নিজ কার্যালয়ে সামনে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেএসএসের (এমএন লারমা) অন্যতম শীর্ষ নেতা শক্তিমান চাকমাকে। এর একদিন পরেই ৪ মে শক্তিমান চাকমার দাহক্রিয়ায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে সশস্ত্র হামলায় নিহত হন ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) অন্যতম শীর্ষ নেতা তপন জ্যোতি চাকমা বর্মা, একই দলের নেতা সুজন চাকমা, সেতুলাল চাকমা ও টনক চাকমা। তাদের বাঙালি গাড়িচালক সজীবও নিহত হন। প্রসিত বিকাশ খিসা নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ থেকে বেরিয়ে গঠিত ইউপিডিএফের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে জেএসএস-এমএন লারমার। এই দলটি আবার জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) নেতৃত্বাধীন জেএসএস ভেঙে গড়ে ওঠে। পাহাড়িদের এক সময়ের একক দল জেএসএস প্রথম ভেঙেছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির পর; চুক্তির বিরোধিতা করে প্রসিত খিসা ইউপিডিএফ গঠন করেন। তারপর জেএসএস ও ইউপিডিএফ দ্বন্দ্বে ২০১৬ পর্যন্ত সংঘাতে মারা গেছেন প্রায় এক হাজার নেতা-কর্মী। ২০১৬ সালে দুই দলের মধ্যে অলিখিত ও অপ্রকাশ্য এক সমঝোতায় সশস্ত্র সংঘাত থামলে কিছুটা স্বস্তি আসে পাহাড়িদের মনে। কিন্তু এরইমধ্যে দুই দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধে আরও দুটি দল গঠনের পর সংঘাতে পায় নতুন মাত্রা।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর