খায়রুল ইসলাম গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
জমির মালিক মদীনা বেগম জানান, তার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি তার ছেলে/ মেয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ওই বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। এমত অবস্থায় কিছু দিন পর তাদের জমি ঘেষে পাশের জমির কিছু অংশ প্রভাবশালী মুকুল নামের এক ব্যক্তির তারা জানতে পারে। এসময় মদীনা বেগম সন্দেহ হলে জমি মাপযোগ করার জন্য স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আপোষের মাধ্যমে আমিন দিয়ে মাপযোগ করার পর মদীনা বেগমের ছেলেরা বাড়ী তৈরী করে। এসময় মুকুল থানায় অভিযোগ করে একই সাথে মদীনা বেগমের ছেলে মজিবুরও অভিযোগ করেন। এতে গত রবিবারে পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে উভয় পক্ষকে আগামী শনিবার থানায় বসে আপোষ করার সম্মতি জানান। কিন্তু শনিবার আসার আগেই সোমবার স্থানীয় কয়েকজন সন্ত্রাসী জনবলসহ লাঠি সোটা নিয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করে ঘর বাড়ী ভেঙ্গে ফেলে।
এ বিষয়ে বিবাদী আব্দুল লতিফ মুকুর বলেন, আর. এস মূলে এই সম্পত্তি আমার বাবার নামে রেকর্ড রয়েছে সেহেতু এই জমির মালিক আমরাই এবং জমির মালিক হিসেবে আমরাই দখল করবো এটা স্বাভাবিক। তাই গত সোমবার পুলিশের নিষেধ না মানায় আমরা নতুন স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়েছি।
১৯৭১ সালে ২২৭ নাম্বর খতিয়ানে ৭১ নম্বর দাগে মাঠ খসড়ায় মদীনা বেগমের নামে অন্তর্ভূক্ত হয়। পরে মুকুল বাদী হয়ে মামলা করলে মহামান্য আদালত দুটি রেকর্ড মদীনা বেগমের নামে পান। পরে সর্বশেষ আর এস রেকর্ড মূলে বাদলের বাবা রুস্তম আলীর নামে ৭১(২) নং দাগে হয়। কিন্তু আর এস রেকর্ড দলিলের সাথে মিল নাই । তারপর থেকে দুটি পরিবারের মাঝে ঝামেলা লেগেই থাকে। এর পূর্বে ৩ বার স্থানীয় ভাবে মিমাংসা হয়েও ঝমেলা মেটেনি।
পরে ওই জমির উপর একটি মামলা দায়ের করেন উভয় পক্ষ আদালত তা আমলে নিয়ে গত ২৭ শে সেপ্টেম্বর ২০১২ ও ১০ ই ফেব্রুয়ারী ২০১৬ সালে দুটি দলিলে অভিযোগ বাতিল করে বাদিপক্ষ মদীনা বেগম পক্ষে রায় দেয় আদালত। কিন্তু আর এস রেকর্ডে রুস্তমের নামে হওয়ায় ওই জমি দখলের জন্য মুকুল বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকিসহ বাড়ি দখলের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৮মে২০১৮/ইকবাল