মোঃখাইরুল ওয়ারা,কক্সবাজার
অদ্য ১৬/০৯/২০২৫ ইং তারিখ রাত অনুমান ০১.০০ ঘটিকায় মহেশখালী থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বান্দরবান পাবর্ত্য জেলাধীন লামা উপজেলা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মহেশখালী থানা পুলিশের টহল টীমের উপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ও একাধিক মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামী আবু সৈয়দ (২৫), পিতা-আলী মিয়া, সাং-ইউনুসখালী, পূর্ব পাড়া, ০৩নং ওয়ার্ড, থানা-মহেশখালী, জেলা-কক্সবাজার’কে গ্রেফতার করা হয় ।
গ্রেফতারকৃত আসামী আবু সৈয়দ (২৫)’ কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, সে বিভিন্ন ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সহিত জড়িত আছে এবং তার কাছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে বলে স্বীকার করে পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী আবু সৈয়দ (২৫) কে নিয়ে মহেশখালী থানাধীন কালারমারছড়া ইউপিস্থ ইউনুসখালী এলাকায় তার নিজ বসত বাড়ীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতারকৃত আসামী আবু সৈয়দ (২৫) এর দেখানো ও শনাক্ত মতে ০১ (এক) টি দেশীয় তৈরী আগ্নেয়াস্ত্র একনালা বন্দুক, ০২ (দুইটি) টি এলজি ও ০৩ (তিন) টি কাতুর্জ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
উল্লেখ্য যে,গত ১১/০৯/২০২৫ খ্রিঃ রাত অনুমান ০০.১০ ঘটিকার মহেশখালী থানা পুলিশের একটি টহল টিম মহেশখালী থানা এলাকায় রাত্রিকালীন টহল ডিউটি করাকালে মহেশখালী থানাধীন কালারমারছড়া ইউপিস্থ আফজলিয়া পাড়া এলাকা হতে কোহেলিয়া নদীর ব্রীজের ঢালে পৌঁছালে গ্রেফতারকৃত আসামী আবু সৈয়দ (২৫) এর নেতৃত্বে আরো ২০/২৫ জন সশস্ত্র ডাকাত পুলিশ টহল গাড়ী লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়ে। সশস্ত্র ডাকাতাদের ছুঁড়া গুলিতে টহল টিমের এএসআই/সেলিম মিয়া এর ডান হাঁটুর নিচের অংশে, কনস্টেবল সোহেল রানা এর দুই হাতের কব্জিতে এবং কনস্টেবল মাসুদ এর বাম হাতের কনুইয়ে গুরুত্বর জখম প্রাপ্ত হয়।এ সংক্রান্তে মহেশখালী থানায় একটি মামলা রুজু হয় এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান কার্যক্রম চলমান থাকে । এরই ধারাবাহিকতায় আসামী আবু সৈয়দ (২৫) কে বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলা থেকে মহেশখালী থানা পুলিশ গ্রেফতার করে । গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।