January 13, 2026, 2:22 pm

সংবাদ শিরোনাম
শোক ও শ্রদ্ধায় সারা দেশে খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ইতিহাসে বৃহত্তম জানাজা লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা শেষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মরদেহ জিয়া উদ্যানে দাফন শ্রদ্ধাঞ্জলি : ত্যাগ ও দেশপ্রেমে উজ্জ্বল এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মহেশপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেফতার চা শ্রমিক ভোটব্যাংক: মৌলভীবাজারের নির্বাচনী রাজনীতির সবচেয়ে নির্ণায়ক জনশক্তি রংপুর-৪ আসনে শাপলা কলি মার্কার মনোনয়ন ফরম নিলেন এনিসিপির নেতাকর্মীরা জেএসইউপি’র কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন, নাজমা সুলতানা নীলা- সভাপতি, সাইফুল্লাহ খান- সাধারণ সম্পাদক। রাতারাতি বাঁশের বেড়ার পরিবর্তে ইটের প্রাচীর দিল অভিযুক্তকারীরা নবীগঞ্জে অপারেশন ডেভিল হান্ট টু এর বিশেষ অভিযানে আওয়ামিলীগ নেতা নুরুল হোসেন গ্রেফতার

রোহিঙ্গা কার্যক্রমে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করার আহ্বান সুলতানা কামালের

রোহিঙ্গা কার্যক্রমে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করার আহ্বান সুলতানা কামালের

mostbet mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল বলেছেন, প্রথম দিকে রোহিঙ্গাদের প্রতি স্থানীয় জনগণের যে সহানুভূতি ছিলো তা কমতে শুরু করেছে। স্থানীয় জনগণ থেকে রোহিঙ্গার সংখ্যা দ্বিগুণ ছাড়িয়েছে। বাজার মূল্যবৃদ্ধি আর শ্রমবাজারে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এতে আরও খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য নেওয়া কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান। গতকাল সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং’ প্রতিবেদনের উপর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সাউথ এশিয়ান হিউম্যান রাইটস (এসএএইচআর)। তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের স্বার্থ ঠিক রেখে রোহিঙ্গাদের কাজে নিয়োগ দিতে হবে। রোহিঙ্গাদের জন্য নেওয়া কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে তাদের সম্মতি নিতে হবে। তাদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় সেভাবে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করতে হবে। উদাহারণ তুলে ধরে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত প্যারামেডিক কর্মীর অভাবে ক্যাম্পগুলোতে সন্ধ্যার পর চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্যারামেডিক কর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। এজন্য তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। এর ফলে রোহিঙ্গাদের পরিপূর্ণ চিকিৎসার পাশাপাশি স্থানীয়দেরও কর্মসংস্থান হবে। তিনি বলেন, প্রথম দিকের তুলনায় খাদ্য সরবরাহ কমে গেছে। তবে এখনও পর্যাপ্ত রয়েছে। চাল-ডাল সরবরাহ বেশি হওয়ায় রোহিঙ্গারা তাদের বাজারে বিক্রি করে অন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনছেন। নারী ও শিশুদের তীব্র পুষ্টিহীনতা দেখা দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বিশেষ করে নারী ও শিশুরা অপুষ্টিতে ভুগছে। টয়লেট ও টিউবওয়েল একসঙ্গে হওয়ায় পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। আবার টয়লেট দূরে হওয়ায় নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। শরণার্থী চুক্তিতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর না করা ‘লজ্জার’ বলে উল্লেখ করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার এতদিন পার হলেও আমরা এখনও শরণার্থী চুক্তিতে স্বাক্ষর করিনি। এটা আমাদের জন্য লজ্জার ব্যাপার। শরণার্থী চুক্তিতে স্বাক্ষর করা এই মুহূর্তে অনেক প্রয়োজন। রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পাঁচদিনের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনে এসএএইচআর-এর চেয়ারম্যান সুলতানা কামালের নেতৃত্বে আরও অংশ নিয়েছেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ভারতের সাংবাদিক ভারত ভূষণ, মালদ্বীপের মানবাধিকার কর্মী জিহান মাহমুদ, নেপালের মানবাধিকার কর্মী রাজেন্দ্র ঘিমিরি ও শ্রীলঙ্কার মানবাধিকার কর্মী দিকশিয়া ইলাংগাসিংহে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর