,

শিরোনাম
আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই কিন্তু প্রয়োজনে প্রস্তুত আছি : পরিকল্পনামন্ত্রী বগুড়ায় পৃথক পৃথক মাদক বিরোধী অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার তানোরে পাতা পোড়া রোগে আক্রান্ত আমন ধান, নেই কৃষি অফিসের তদারকি! রংপুর গঙ্গাচরার খতিগ্রস্ত ২৪ পরিবার পেলো ‘প্রান্তিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ এর সহায়তা মোংলায় পূজা দিতে গিয়ে ঘরের স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট রংপুরের পীরগঞ্জে খালাস পীর নামক স্থানে মোটরসাইকেল শোরুমে অগ্নিকান্ড। সরিষাবাড়িতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার কুড়িগ্রামে ইউএনও’র গাড়ীর সাথে অটো রিকসার সংঘর্ষে আহত ৮  জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মীর ইকবালকে বিজয়ী করতে চেয়ারম্যান ময়নার আহবান! রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

বেড়েছে কাগজের দাম।

বেড়েছে কাগজের দাম। এতে বেকায়দায় পড়েছে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন শিল্পে দরকারি কার্টন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে দেশের বাজারেও বাড়ছে কাগজের দাম। দেশে তৈরি কাগজের প্রায় সব ধরনের কাঁচামাল আমদানি করতে হয়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে প্রায় তিনগুণ। কেমিক্যালের দামও বেড়েছে। নতুন মাত্রা যোগ করেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। দাম বাড়ার কারণে কমেছে এলসির পরিমাণ। এতে সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দামে এর প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি বিদেশি কাগজের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশি কাগজের চাহিদা বেড়েছে।

গত ২৬ জুলাই কাগজের মূল্য বৃদ্ধির কারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) খরচ কমাতে দাপ্তরিক কাজে কাগজসহ সরঞ্জামাদির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ (যেমন: কাগজের উভয় পৃষ্ঠায় প্রিন্ট করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় প্রিন্ট পরিহার করতে হবে) ১৪ দফা নির্দেশনা দিয়েছে।

রাজধানীর নীলক্ষেতের এক কাগজ  ব্যবসায়ী বলেন আমার আগে কাগজের রিম বিক্রি করছি ২২০ টাকায়, এখন তা ৩৯০ টাকা। কলম থেকে শুরু করে সব স্টেশনারি পণ্যের দাম এখন দ্বিগুণ। প্রায় প্রতিদিনই কাগজের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে আমাদের ব্যবসায় টিকিয়ে রাখাই কষ্ট হয়ে পড়ছে। দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন ও আনুষঙ্গিক খরচ দিয়ে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকাই বড় কষ্টের ব্যাপার।

নীলক্ষেতের আরেকজন বই ব্যবসায়ী  বলেন, বই ব্যবসার অবস্থা এখন খারাপ। আমি আজ সারাদিন ১০০০ টাকার বই বিক্রয় করতে পেরেছি। ক্রেতা কম। এর অন্যতম কারণ হলো বই মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যে বই বিক্রি করতাম ২০০ টাকায়, তা এখন ৩৫০ থেকে ৪০০টাকায় বিক্রি করতে হয়।

Facebook Comments Box
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ