January 17, 2022, 4:29 pm

শিরোনাম :
মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের নাব্যতা রক্ষায় খননকৃত মাটি ফেলতে জমি অধিগ্রহণই ভরসা ঝালকাঠিতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধা খুন ! ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করাতে এসে বাবা হলেন লাশ! বরিশালে বাবুগঞ্জে ওসি’র তদারতিতে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে গৃহবধূ মরিয়ম হত্যার আসামী গ্রেপ্তার সিলেটের পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফের সফল কার্যক্রম! র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা হতে দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ডাকাত দলের ০৭ সদস্য গ্রেফতার মৌলভীবাজার গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সুন্দরগঞ্জে এমজেবি-জেজেবি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন শশুরের আত্মহত্যায় প্ররোচিত মামলায় জামাই আটক কুলাউড়া সরকারি কলেজের শিক্ষার পরিবেশের উন্নয়নে কাজ করে যাব’- মোহাম্মদ আবু জাফর রাজু হিলিতে ভিওআইপি ব্যবসা করার অপরাধে আটক-১ ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস জাফলং ইউনিটের জলবায়ু ধর্মঘট জনবান্ধব ইউএনও’র কর্মপরিকল্পনায় বদলে গেছে ‘তানোর’ হিলিতে ভিওআইপি ব্যবসা করার অপরাধে আটক-১ মাদ্রাসার প্রভাষকের উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন সড়ক পারাপারে বিদ্যালয়ের সম্মুখে জেব্রা ক্রসিং দেয়ার দাবি শিক্ষার্থীদের কুড়িগ্রামে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বেড সংখ্যার ৫ গুণ রোগী কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সকল শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা বাধ্যতামূলক

জাল সনদে ২০ বছর চাকরি অতঃপর

Spread the love

লোটাস আহমেদ শুভ,যশোর প্রতিনিধি::

 

যশোর শহরতলির মোমিননগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী দীর্ঘ ২০ বছরাধিককাল ধরে জাল সাময়িক সনদপত্র দিয়ে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মূল সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি।

জানা গেছে, যশোর শহরতলির মোমিননগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৯৯৮ সালের পর অফিস সহকারী পদে যোগদান করেন আবু সাঈদ নামে এক ব্যক্তি। তিনি চাকরিতে যোগদানের সময় মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীন আলিম পাশের একটি সাময়িক সনদপত্র জমা দেন। আজ অবধি তিনি সেই সাময়িক সনদপত্রের ভিত্তিতেই চাকরি করছেন এবং বেতন ভাতাদি উত্তোলন করছেন। নিয়ম অনুযায়ী সাময়িক সনদপত্র সাময়িক সময়ের (৩বছর) জন্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু চাকরি জীবনের ২০ বছর অতিক্রান্ত হলেও আজ পর্যন্ত আবু সাঈদ মূল সনদ জমা দিতে পারেন নি। কেন দিতে পারেন নি সে বিষয়ে তিনি বলেন, কেউ কোনদিন চায়নি, তাই আনা হয়নি।

আবু সাঈদ যে সাময়িক সনদপত্রটি জমা দিয়েছেন সেখানেও রয়েছে অসঙ্গতি। সাময়িক সনদে শিক্ষাবর্ষ লেখা রয়েছে ১৯৯৮-১৯৯৯ সাল এবং পরীক্ষার সাল লেখা রয়েছে ১৯৯৮, সাধারণ শাখা, বহিরাগত। সেই হিসেবে শিক্ষাবর্ষ শেষ হওয়ার এক বছর আগেই তিনি আলিম পাশ করেছেন। সাময়িক সনদে তিনি কোন মাদরাসার ছাত্র সেটাও বলা নেই।

শিক্ষাবর্ষ শেষ হওয়ার এক বছর আগেই কিভাবে আলিম পাশ করলেন জানতে চাইলে আবু সাঈদ বলেন, এটা বোর্ডের ব্যাপার, আমি বলতে পারবো না। মূল সনদপত্র দেখতে চাইলে তিনি বলেন, ওটা আনা হয়নি। কেন আনা হয়নি জানতে চাইলে বলেন, লাগেনি তাই আনিনি। তবে ২০ দিন সময় দিলে তিনি দেখাতে পারবেন বললেও গত দেড় মাসেও তিনি দেখাতে পারেন নি। তিনি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা বিষয়টি জানেন। তারা আমাকে আজ পর্যন্ত কিছুই বলেন নি।

প্রশ্ন উঠেছে, আবু সাঈদ কিভাবে এই দীর্ঘ সময় একটি অসঙ্গতিপূর্ণ সাময়িক সনদপত্র দিয়ে চাকরি করছেন। সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা অফিসও আজ পর্যন্ত কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি হার্টের বাইপাস সার্জারি করে বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে যশোর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম গোলাম আজম জানান, এ বিষযটি আমার জানা নেই। এখন জানালাম। খোঁজখবর নিয়ে কোন অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments Box
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ