July 26, 2021, 1:34 am

শিরোনাম :
মাধবপুরে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক করোনা মোকাবেলায় জগন্নাথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তারা মাঠে ঝিকরগাছায় খেলাকে কেন্দ্র করে নয়ন নামের এক যুবক হত্যা ধান্ধা লীগে বিব্রত আওয়ামী লীগ; লীগ যুক্ত করে নিত্যনতুন দোকান খুলছে সুবিধাভোগীরা সাদুল্ল‍্যাপুরে পেট্রোল বোমা ও ককটেল সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার চিলমারীতে সাংবাদিকের বাসায় চুরি! শশুর বাড়ি থেকে সিএনজি চুরি! রাজশাহীতে লকডাউন বাস্তবায়নে তানোর থানা পুলিশের তৎপরতা ভারতীয় রেলওয়ের ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’ বাংলাদেশের পথে জগন্নাথপুরে গৃহবধূর আত্মহত্যা যশোর পৌর পার্কের পুকুরে ডুবে যাওয়া শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার জগন্নাথপুরে লক ডাউন মোকাবেলায় মাঠে প্রশাসন, ১৫ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড চরফ্যাশনে মেঘনার তীরে অজ্ঞাত দুই যুবকের লাশ উদ্ধার রমেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার চুরির চেষ্টায় ড্রাইভার সহ হেল্পার আটক ভোলায় লকডাউনের প্রথম দিনে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু বাংলাদেশের নামও পেগাসাসের তালিকায় মুনিয়ার আত্মহত্যায় আনভীরের দোষ পায়নি পুলিশ কাল থেকে সবচেয়ে কঠোর লকডাউন ছুটির দিনে ১৮৭ মৃত্যু, শনাক্ত ৩ হাজার ৬৯৭

চৌমুহনী টেলিফোন এক্সচেঞ্জ থেকে লাখ লাখ টাকার মালামাল উধাও

Spread the love

নোয়াখালী প্রতিনিধি::

 

জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলাধীন চৌমুহনী টেলিফোন এক্সচেঞ্জে ৩য় তলা বিশিষ্ঠ পুরাতন ভবনে থাকা লাখ লাখ টাকার মূল্যেবান জিনিসপত্র উধাও হয়ে গেছে।  ৩০ শে জুন ২০২১ উক্ত এক্সচেঞ্জ এলাকায় নাইটগার্ড ছাড়া কোন কর্মকর্তা কর্মচারীকে দুপুর ২ ঘটিকার সময় কর্মস্থলে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। ভবনটির মধ্যে থাকা কেচি গেইট, বড় বড় দরজা, জানালা ভেতরে থাকা কক্ষগুলোর মধ্যে ফোনের মূল্যেবান সার্কিট সমূহ কিছুই নেই। এমনকি বিদ্যুৎ লাইন ও সুইচ বোর্ড গুলো ও নেই। অথচ চারি পাশে সীমানা দেওয়াল থাকলে ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহযোগীতায় লাখ লাখ টাকার মালামাল গুলো লুটপাট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে বর্তমান দ্বায়ীত্বে থাকা আবদুর রাজ্জাক কে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেসা করলে তিনি জানান দেড় মাস পূর্বে তিনি উক্ত অফিসে বদলী হয়ে এসেছেন। অসুস্থ থাকায় অফিসে আসতে পারেননী। বাকী স্ট্রাফ কর্মচারীদেও বিষয়ে জিজ্ঞেসা করলে তিনি কোন সদউত্তর দিতে পারেননী। ভবনে থাকা মালামাল সম্পর্কে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন আমি আসার আগেই এই গুলো চুরী হয়ে হয়েগেছে। তখন এ অফিসে দ্বায়ীত্বে ছিলেন মোঃ শামিম, রৌশন আলী, ও জাফর উল্যাহ। সূত্রমতে তাদের সহযোগীতায় বহিরাগতদেরকে দিয়েই রাতের অন্ধকারে এই মূলোবান জিনিসপত্র বাহির কওে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সংরক্ষিত এলাকা হলে ও স্থানীয় কর্মচারীরা এর ভেতরে ৮/১০ টি পরিবারকে বাসাগুলোতে বসবাসের জন্য ভাড়া দিয়ে রেখেছে। যথাসময়ে দূর্নিতিবাজ কর্মকর্তারা ভবনটি টেন্ডারে অকশান না দেওয়ায় সরকার প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে। টেলিফোন এক্সচেঞ্জটি বেহাত হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদেও বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে স্থানীয় ভাবে দায়িত্বে থাকা ডিজি এম আহম্মদ নজীরকে মোবাইলে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বস্থ করেন।

Facebook Comments Box
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ