November 30, 2021, 6:58 pm

শিরোনাম :
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ॥ ৪টি নৌকা এবং ৪টিতে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়। রাজধানীর শ্যামপুর এলাকা হতে ০৮ কেজি গাঁজাসহ ০৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন। প্রান্তিক শিশুদের মানসম্পন্ন শিক্ষায় ৩ কোটি ৪৭ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে ইউনিসেফ। এমপিওভুক্তির যোগ্য সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সাড়ে আট হাজার। স্বেচ্ছাসেবীর অভাবে “পথশিশু সেবা সংগঠন ” এর রাস্তায় সেবা দেওয়ার কার্যক্রম কঠিন হয়ে যাচ্ছে। শরীয়তপুরে গোসাইরহাট উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন গ্রহনের লক্ষ্যে রিটার্নিং অফিসারদের সর্বশেষ প্রস্ততি সম্পন্ন। প্রিজাইডিং আফিসারদের ভোট কেন্দ্রে গমনের প্রস্তুতি আমরা চাই ফেয়ার নির্বাচন রংপুরে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু হবিগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিদ্রোহী হওয়ায় ২৫ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করল আওয়ামী লীগ -রাজধানীর কদমতলী এলাক হতে ১৩,৬০৯ পিস বিক্রয় নিষিদ্ধ সরকারী ঔষধসহ ০১ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। ভোলা বোরহানউদ্দিনে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩৮ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল নাগরপুরে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা গুলিবর্ষন নিহত ১ গুলিবিদ্ধসহ আহত ২ বেনাপোলে ফেনসিডিল সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক ঠাকুরগাঁওয়ে বর্ণিল আয়োজনে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন বেনাপোলে ১০ টি বোমা- দুই হাজার বোমার সরঞ্জাম সহ আটক-৪ হল্যান্ডের বন্দরনগরী রটারডামে লকডাউনের বিরুদ্ধে পুলিশের সাথে জনতার সংঘর্ষ চাঁদপুরে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিনিধি সভা এবং আনন্দ শোভাযাত্রা লালপুরে চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ নিখোঁজের ৩দিন পর সেফটি টেংকি থেকে নুসরাতের লাশ উদ্ধার

শার্শার ইসরাফিল হত্যার দায়ে আরও দুইজন আটক

Spread the love

ইয়ানূর রহমান:

 

যশোরের শার্শায় ই¯্রাফিল হোসেন হত্যার দায়ে আরো দুইজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। আটক মেহেদী হাসান শার্শা উপজেলার রাড়িপুকুর গ্রামের মৃত শাহজাহান মীরের ছেলে এবং জনি কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাজে ব্যবহৃত একটি কোঁদাল, এক পাতা ঘুমের ওষুধ এবং একটি কোমল পানীয়ের বোতল উদ্ধার করা হয়।

১৩ অক্টোবর যশোর ডিবি পুলিশের চৌকশ একটি টিম  ঢাকার আশুলিয়া থানার নয়ারহাট থেকে মেহেদী হাসানকে ও যশোরের শার্শার কাশিয়াডাঙ্গা থেকে জনিকে আটক করা হয়।

আটক দুইজন বৃহস্পতিবার হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এর আগে গত ২৯ আগস্ট এই হত্যাকান্ডের অভিযোগে নুর আলম, মোশারফ হোসেন ও মর্জিনা বেগমকে আটক করে পুলিশ।

আটক নূর আলম শার্শা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে, মোশারফ হোসেন একই গ্রামের মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে এবং মর্জিনা বেগম ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৭ আগস্ট রাত ৯টার দিকে শার্শার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাড়ি থেকে বের হন একই গ্রামের বজলু মোড়লের ছেলে ই¯্রাফিল হোসেন। এরপর রাতে আর বাড়ি না ফেরায় ২৯ আগস্ট ইস্রাফিলের স্ত্রী রোজিনা বেগম শার্শা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ শার্শার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পুলিশের কাছে ওইতিনজনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের মোড়লবাড়ি কবরস্থানে মাটি চাপা অবস্থায় ইস্রাফিলের লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ওইদিন রাতেই নিহতের স্ত্রী রোজিনা বেগম বাদী হয়ে ৬জনের নাম উলে­খসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩জনের বিরুদ্ধে শার্শা থানায় মামলা করেন।

এদিকে নিহতের স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় উলে­খ করা হয়েছে, আটক মর্জিনা বেগম তাদের প্রতিবেশি। জমিজমা এবং বাড়ির রাস্তা নিয়ে তাদের মধ্যে পূর্ব থেকে বিরোধ চলে আসছে। গত ২৭ আগস্ট রাতে তার স্বামী ই¯্রাফিল হোসেন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। ফলে ২৯ আগস্ট শার্শা থানায় একটি জিডি করা হয়।

গত ২ সেপ্টেম্বর আটক নুর আলম হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মেহেদী হাসান ও জনিকে আটক করে। আটকের সময় হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি কোঁদাল, এক পাতা ঘুমের ওষুধ এবং একটি কোমল পানীয়ের বোতল উদ্ধার করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার মেহেদী ও জনিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে। এদিন জবানবন্দিতে বলা হয়েছে, হত্যাকান্ডের কিছুদিন আগে এলাকার ব্যাংক কর্মচারি রুহুল কুদ্দুসের বাড়িতে চুরি হয়। ওই চুরি কাজে নুর আলম, মেহেদী হাসান, জনি, আজিজ অংশ নিয়েছিল। কিন্তু চুরির বিষয়টিও ই¯্রাফিল জেনে যায়। ফলে ই¯্রাফিলকে হত্যার পরিকল্পনা করে নুর আলম, আজিজ, মোশারফ, জনি ও মেহেদী হামান এবং মর্জিনা।

হত্যার পরে ই¯্রাফিলের পরিহিত লুঙ্গি, গেঞ্জি, গামছা, সেন্ডেল এবং মোবাইল ফোন আটক নুর আলমের বাড়িতে চুলায় পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়ে ফেলে হয়।

 

Facebook Comments Box
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ