,

প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব রটানোর চেষ্টা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব রটানোর চেষ্টা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

 

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হচ্ছে না, তবুও প্রশ্নফাঁসের গুজব রটানোর চেষ্টা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব রটনাকারীদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল শনিবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার প্রথম দিনে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা পিএম পাইলট উচ্চমাধ্যমিকবিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী। সকাল ১০টায় সারা দেশে একযোগে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা শুরুর আগে মন্ত্রী পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সারা দেশে ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। প্রশ্নফাঁসের পেছনে না ঘুরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের লেখাপড়ায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী। পাবলিক পরীক্ষা চলার সময় কোচিং সেন্টার পরিচালনাকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। মন্ত্রী আরো বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব রটনাকারীদের বিষয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। প্রশ্নফাঁস হচ্ছে না, তবু প্রশ্নফাঁস হচ্ছে বলে গুজব রটনা করা হচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডা. দীপু মনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিডিয়া সহযোগিতা করছে কোচিংয়ের বিরুদ্ধে। অথচ তাদের ওপর হামলা হয়েছে। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোচিং পরিচালনাকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী আরো জানান, কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখার শিক্ষক কানিজ ফাতেমার বিরুদ্ধেও শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এই পরীক্ষার সময় কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা চালিয়ে আসছিলেন ওই শিক্ষক। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক সে খবর সংগ্রহ গেলে হামলার ঘটনা ঘটে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোচিং পরিচালনাকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষা চলাকালীন সময় সব ধরনের কোচিং বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিডিয়া সহযোগিতা করছে কোচিংয়ের বিরুদ্ধে। অথচ তাদের ওপর হামালা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ