,

শিরোনাম
হিলিতে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে কলা রাজধানীর কোতয়ালী এলাকা হতে নবাবগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ভাইয়ের হাতে ভাই হত্যা মামলার প্রধান আসামী জাহাঙ্গীর কবিরাজ’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা হতে ২২ কেজি গাঁজাসহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব; মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত গাড়ি জব্দ। শৈলকুপায় চুলার আগুনে পুড়ে ছাই ৮টি বসতঘর, ক্ষয়ক্ষতি ৭০ লাখ টাকা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট যাত্রীর বায়ু পথে স্বর্ণবার উদ্ধার। আটক ২ পাসপোর্ট যাত্রী। আদমদীঘিতে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার ছাত্রলীগ নেতা শাহীন সুষ্ঠু তদন্ত চায়; জানতে চায় হামলাকারী কারা? কুড়িগ্রামে চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত লালমোহন উপজেলার, কালমা ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সকল প্রার্থীদের নিয়ে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত। অন্যের বউ ভাগিয়ে বিয়ে করা আলোচিত সেই মোজাফফর ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার জাতীয় কবির ১২৩তম জন্মবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন

পুলিশের নিযার্তনে মৃত্যু । এস আই ও কনষ্টেবল বিরুদ্ধে আদালতে মামলা।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ঃপুলিশ ও বাদী পক্ষের মার ও তাড়া খেয়ে প্রবাসীর মৃত্যু ।
অবশেষে নড়িয়া থানার এস আই ও
কনষ্টেবলকে আসামী করে শরীয়তপুর
আদালতে মামলা। আতংকে পরিবার।  শরীয়তপুরের নড়িয়া
উপজেলায় পুলিশও বাদী পক্ষের প্রথমে মার ধর ও পরে
তাড়া খেয়ে ইতালী প্রবাসী চান মিয়া হাওলাদারের মৃত্যু হয়েছে । এ ঘটনায় ৮ দিন পর নড়িয়া থানার এস আইসহ ১০ জন কে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শরীয়তপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ঠেট আমলী আদালত নড়িয়া অঞ্চল হত্যা মামলা টি আমলে নিয়ে আদালত
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে চার
কর্মদিবসের মধ্যে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
জানতে চেয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ
দিয়েছেন । এ দিকে আদালতে মামলা করায় নড়িয়া
থানার পুলিশ বাদী পক্ষকে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন
বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আতংকে দিন
কাটছে নিহত পরিবারের মধ্যে।
মামলার বাদী ও আদালত সুত্রে জানা যায়, গত
বুধবার শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার
ডিঙ্গিামনিক ইউনিয়নের পন্ডিতসার দক্ষিন

পাড়া এলাকার ইতালী প্রবাসী মৃত ফজল হক
হাওলাদারের ছেলে চান মিয়া হাওলাদারের সাথে
একই উপজেলার ভুমখাড়া ইউনিয়নের নলতা
গ্রামের মতি সরদারের ছেলে রুবেল সরদার ও একই
উপজেলার ভুমখাড়া ইউনিয়নের নিতিরা গ্রামের
আব্দুর রাজ্জাক পেদার ছেলে তুহিন পেদার সাথে
নড়িয়া বাজারে কথা কাটাকাটি হয়। কথা
কাটাকাটি এক পর্যায়ে রুবেল সরদার ও তুহিন
পেদা চান মিয়া হাওলাদার কে মারধর করে । পর দিন
বৃহস্পপতিবার তারাই আবার উল্টো নড়িয়া
থানায় একটি অভিযোগ দায়ের কওে ।
অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২২ মার্চ নড়িয়া
থানার এস আই ইকবাল হোসেন ও কনষ্টেবল
নাজিম উদ্দিন অভিযোগ কারী রুবেল সরদার ও
তুহিন পেদা কে সাথে নিয়ে চান মিয়া
হাওলাদারের বাড়ীতে যায়। পুলিশ ও অভিযোগকারী
দু জন মিলে চান মিয়া হাওলাদার কে তার ঘরের
ভিতর মারধর করে । তখন চান মিয়া হাওলাদার জীবন
বাচাতে দৌড়ে পালাবার চেষ্টা কওে । তুহিন ,
রুবেল ও পুলিশ তাকে ধাওয়া করে । হুয়ার পাড় বিলে
গিয়ে তাকে পুলিশ ও বাদী পক্ষের লোকজন আবার ও
মারধর কওে । পড়ে সে অসুস্থ‍্য হ য়ে পড়ে। এ সময়
নড়িয়া থানার এস আই ইকবাল হোসেন ও
কনষ্টেবল নাজিম উদ্দিন তাকে ফেলে রেখে চলে
আসে । পওে স্থানীয় লোকজন তাকে হুয়ার পাড় বিল

থেকে উদ্ধার করে ঘড়িসার হাসপাতালে নিয়ে
গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন ।
প্রথমে নড়িয়া থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ
মামলা নেয়নি । স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে
নড়িয়া থানার ওসি অবনী শংকর কর মীমাংশা করার
চেষ্টা করে। পরে পুলিশ এস আই ইকবাল হোসেন
ও কনষ্টেবল নাজিম উদ্দিন কে বাদ দিয়ে নড়িয়া
থানায় একটি মামলা দায়ের কওে । ঘটনার ৮ দিন
পর নিহতের স্ত্রী পারুল বেগম বাদী হয়ে শরীয়তপুর
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট আমলী আদালত
নড়িয়া অঞ্চলে একটি মামলা দায়ের করে । আদালত
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে আগামী
৪ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে
বলেছেন।
নিহতের স্ত্রী ও মামলার বাদী পারুল বেগম বলেন ,
তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে আমার স্বামী কে
নড়িয়া থানার এস আই ইকবাল হোসেন
,কনষ্টেবল নাজিম উদ্দিন ও রুবেল সরদার ,তুহিন
পেদা গংরা পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি
নড়িয়া থানায় মামলা করতে গেলে প্রথমে নড়িয়া
থানার ওসি মামলা নিতে গড়িমসি কওে । পরে
পুলিশ সদস্যদেও নাম বাদ দিয়ে একটি মামলা
নেয়। আমি গতকাল মঙ্গলবার এস আই ইকবাল
হোসেন ও কনষ্টেবল নাজিম উদ্দিন সহ ১০ জন কে
আসামী কওে শরীয়তপুর আদালতে একটি মামলা

দায়ের করেছি। মামলা করার পর থেকে নানারকম
হুমকি ধামকি আসছে।
নড়িয়া থানার (ওসি তদন্ত ) মোঃ আবীর হোসেন
বলেন , আমি নড়িয়া থানায় নতুন এসেছি ।
তাই এ বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।
নড়িয়া থানার ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী
শংকর কর কে বার বার ফোন কওে ও পাওয়া যায়নি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) এস
এম মিজানুর রহমান বলেন, আপনারাই সব কিছু
জানেন । এ বিষয়ে আমি কিছু বলবো না।

Facebook Comments Box
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ