November 30, 2021, 6:55 pm

শিরোনাম :
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ॥ ৪টি নৌকা এবং ৪টিতে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়। রাজধানীর শ্যামপুর এলাকা হতে ০৮ কেজি গাঁজাসহ ০৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন। প্রান্তিক শিশুদের মানসম্পন্ন শিক্ষায় ৩ কোটি ৪৭ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে ইউনিসেফ। এমপিওভুক্তির যোগ্য সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সাড়ে আট হাজার। স্বেচ্ছাসেবীর অভাবে “পথশিশু সেবা সংগঠন ” এর রাস্তায় সেবা দেওয়ার কার্যক্রম কঠিন হয়ে যাচ্ছে। শরীয়তপুরে গোসাইরহাট উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন গ্রহনের লক্ষ্যে রিটার্নিং অফিসারদের সর্বশেষ প্রস্ততি সম্পন্ন। প্রিজাইডিং আফিসারদের ভোট কেন্দ্রে গমনের প্রস্তুতি আমরা চাই ফেয়ার নির্বাচন রংপুরে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু হবিগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিদ্রোহী হওয়ায় ২৫ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করল আওয়ামী লীগ -রাজধানীর কদমতলী এলাক হতে ১৩,৬০৯ পিস বিক্রয় নিষিদ্ধ সরকারী ঔষধসহ ০১ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। ভোলা বোরহানউদ্দিনে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩৮ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল নাগরপুরে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা গুলিবর্ষন নিহত ১ গুলিবিদ্ধসহ আহত ২ বেনাপোলে ফেনসিডিল সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক ঠাকুরগাঁওয়ে বর্ণিল আয়োজনে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন বেনাপোলে ১০ টি বোমা- দুই হাজার বোমার সরঞ্জাম সহ আটক-৪ হল্যান্ডের বন্দরনগরী রটারডামে লকডাউনের বিরুদ্ধে পুলিশের সাথে জনতার সংঘর্ষ চাঁদপুরে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিনিধি সভা এবং আনন্দ শোভাযাত্রা লালপুরে চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ নিখোঁজের ৩দিন পর সেফটি টেংকি থেকে নুসরাতের লাশ উদ্ধার

ছেলেদের অত্যাচারে ৪ বছর ধরে পলাতক ৮০ বছরের বাবা!

Spread the love

ডিটেকটিভ ডেস্কঃঃ

সম্পত্তির লোভে জন্মদাতা বাবাকে মারধর ও নির্যাতনের পর ঘরছাড়া করেছে ছেলেরা। ছেলেদের অত্যাচার সইতে না পেরে ঘর ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বাবা। এমনকি বাবাকে ঘায়েল করতে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপবাদ ও মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হচ্ছে।

এমন নির্মম ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়। ছেলেদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হতভাগা বৃদ্ধ বাবা মোহাম্মদ মুছা (৮০) বৃহস্পতিবার স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে ছেলেদের নির্মমতার বর্ণনা দেন। উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আফজলেরপাড়া এলাকায় ওই বৃদ্ধের বাড়ি।

বৃদ্ধ মোহাম্মদ মুছা বলেন, পাঁচ পুত্র, দুই কন্যা ও এক স্ত্রী নিয়ে এক সময় সুখে কাটছিল জীবন। ২০১৭ সালের ১৪ জুলাই হঠাৎ আমার স্ত্রী মজুমা খাতুন মারা যান। এর মধ্যে দুই মেয়েকে বিয়ে দিই। আমার স্ত্রী মজুমা পৈতৃক সূত্রে কিছু জায়গা পায়। ওই সম্পত্তি ছাড়াও আমার নিজের দশ শতক বাড়িভিটাসহ চার কানি জায়গা ছিল। আমার স্ত্রী মারা যাওয়ার আগে আমার তৃতীয় ছেলে শহীদুল ইসলাম ও চতুর্থ ছেলে মাসুদ পারভেজ পরিবারের সবার অজান্তে সুকৌশলে আমার স্ত্রী মজুমার কাছ থেকে হেবা দলিলে কিছু জায়গা লিখে নেয়।

বিষয়টি পরে আমি জানতে পেরে প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে মারধর করে। আমার দুই ছেলের স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দেয়। তাদের স্বামীরা তখন বিদেশে অবস্থান করছিল।

২০১৭ সালের শেষের দিকে আমাকে ঘরেবন্দি রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার ছেলে শহীদুল ও পারভেজের সহযোগিতায় দ্বিতীয় ছেলে সিরাজুল ইসলাম বাড়িভিটাসহ কিছু সম্পত্তি হেবা দলিলে লিখে নেয়। পরের বছরের মাঝামাঝি সময় অন্য ছেলে শহীদুল ইসলাম জোর করে আরও কিছু সম্পত্তি লিখে নেয়। আমি বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য লোক ও প্রশাসনকে জানালে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।

তাদের ভয়ে অবশেষে ঘর থেকে বের হয়ে যাই। বর্তমানে আমি মরিয়মনগর ইউনিয়নের পূর্ব সৈয়দবাড়ি আমার বড় ও পঞ্চম ছেলের ভাড়া বাসায় আছি। প্রায় ৪ বছর ঘর ছেড়ে পালিয়ে থাকার পরও তারা ক্ষান্ত হয়নি। তারা আমাকে ঘায়েল করতে আমার বিরুদ্ধে পুলিশ কর্মকর্তার কাছে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা অপবাদ ও অভিযোগ করছে। সম্পত্তির জন্য ছেলেরা এমন নির্মম হতে পারে ভাবতেই পারছি না।

তারা আমার স্ত্রী ও আমার সম্পত্তি জোর করে লিখে নিয়ে শুধু অন্যায় করেনি বরং আমার অন্য দুই ছেলেকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছে। ২০১৩ সালে জায়গার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে আমাকে মারধর করলে আমি থানায় মামলা করার পর আমার ছেলে শহীদুল ও পারভেজকে পুলিশ গ্রেফতার করে কারাগারে নিয়ে যায়। শেষ বয়সে স্বাভাবিক জীবনযাপন করার জন্য আমি ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের কাছে তাদের বিচার দাবি করছি। দৃষ্টান্তমূলক এমন বিচার কামনা করছি; যাতে অন্য কোনো বাবা আমার মতো ছেলের নির্মমতার শিকার না হয়।

ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রাঙ্গুনিয়া থানার এসআই মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, যেহেতু বাবার বিরুদ্ধে ছেলেরও অভিযোগ রয়েছে। দুইপক্ষকে বসিয়ে কথা বলতে চাইলাম; কিন্তু একপক্ষ আসলেও আরেকপক্ষ আসে না। তাই বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করা হবে। বাবা-ছেলের সমস্যাটি সমাধানে চেষ্টা করা হবে।

//ইয়াসিন//

Facebook Comments Box
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ